বুধবার উল্লাপাড়ায় তিন গ্রামবাসীর মধ্যে সৃষ্ট সংঘর্ষের সময় পৌর শহরে গুদাম, দোকানপাট ও বাড়িঘর ভাংচুর, লুটপাট এবং অগ্নি সংযোগের ঘটনার প্রেক্ষিতে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিরসনে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে উল্লাপাড়ায় এক
বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় রাজনৈতিক দল, হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় মেজর তবিবুর রহমান তার বক্তব্যে উল্লাপাড়ায় নতুন করে আর কোন অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে এবং বিশেষতঃ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও তাদের জানমাল রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে সবাইকে অনুরোধ জানান।
মেজর তবিবুর এ সময় উল্লাপাড়ায় শান্তিপূর্ণ ও স্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি এ ব্যাপারে সবাইকে সহযোগিতার আহবান জানান।
সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা সুলতানা, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক আব্দুল ওয়াহাব, সদস্য সচিব আজাদ হোসেন, সিনিয়র যুগ্মআহবায়ক হেলাল সরকার, হিন্দু সম্পদায়ের প্রতিনিধি দুলাল সাহা, সুভাষ সাহা, বাবলু ভৌমিক, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি আব্দুল লতিফ তালুকদার, আব্দুল আজিজ তালুকদার, উজ্জল তালুকদার ও আমিনুল ইসলাম সরকার উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গতঃ জমিজমা নিয়ে পূর্ব গোলযোগের জের ধরে বুধবার উপজেলার ঝিকিড়া তালুকদার পাড়া এবং সাতবাড়িয়া ও রামকান্তপুর গ্রামবাসীর মধ্যে কয়েক ঘন্টা ধরে সংঘর্ষ হয়। এতে ১৫ জন আহত হন।
সংঘর্ষ চলাকালে পৌর শহরের ৪টি গুদাম, ১১টি দোকান এবং অন্ততঃ ১০টি বাড়ি ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নি সংযোগ করা হয়।