৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

স্কুলছাত্রীকে অপহরণের মামলায় ১৯ বছর পর দুইজনের যাবজ্জীবন

স্কুলছাত্রীকে অপহরণের মামলার ১৯ বছর পর রায় দিয়েছেন আদালত। রায়ে অভিযুক্ত দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের সাথে প্রত্যেকের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা ভুক্তভোগীকে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মাদ আবদুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন। দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেনÑ গুরুদাসপুর উপজেলার লক্ষ্মীপুর উত্তরপাড়ার রান্টু মিয়া (৩৯) ও নাটোর সদর উপজেলার হয়বতপুর গ্রামের আবু বক্কর (৫৯)।

আদালত সূত্রে জানাগেছে- এক স্কুলছাত্রী ১৯ বছর আগে অপহরণের শিকার হয়েছিলেন। আসামিদের উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার মামলাটির রায় দেওয়া হয়েছে। 

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানাগেছে- ওই স্কুলছাত্রীকে (১৬) বাড়িতে একা পেয়ে আসামি রান্টু মিয়ার সহযোগীতায় অপহরণ করেছিলেন আবু বক্কার। নাটোর সদর উপজেলায় স্কুলছাত্রীর মামার বাড়িতে অপহরণের ঘটনাটি সংগঠিত হয়েছিল ২০০৫ সালের ২৫ মে দুপুরে। ওই ঘটনায় ২০০৫ সালের ৯ জুন নাটোর সদর থানায় মামলা দায়ের করেন অপহণের শিকার ছাত্রীর মামা। ওই বছরের ১৩ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক খায়রুল আলম।

এরপর বিচারের জন্য মামলাটি নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আসে। দীর্ঘসময় ধরে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন ছিল। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বৃহস্পতিবার আদালত রায় ঘোষণা করেন।

আদালতের সেরেস্তাদার শামীম আহমেদ রায়ের খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রায় ঘোষনা সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায়ের পর পরই আসামিদের পুলিশি হেফাজতে নাটোর জেলার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি আনিছুর রহমান বলেন, সাক্ষীরা সময়মতো আদালতে হাজির হননি। একারণে মামলার বিচারকাজ শেষ হতে দেরি হয়েছে। তাছাড়া দেরিতে হলেও বাদিপক্ষ ন্যায় বিচার পেয়েছেন।