৩০ জানুয়ারি, ২০২৪

সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে চালের দাম বাড়ানো হয়েছে

নতুন নির্বাচিত সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতেই অযৌক্তিক ভাবে চালের দাম বাড়ানো হয়েছে। যারা এটি করছে তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম শফিকুজ্জামান। 

তিনি বলেন, হঠাৎ করে ডিসেম্বরের পরে চালের দাম বেড়ে গেছে। এটি উত্তর অঞ্চলের মিলগুলো থেকে করা হয়েছে। মিল মালিকরা বলতে চাইছেন ধানের দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা এটি করেছে।

তবে ধানের দাম বাড়লেও সেই ধানের চাল বাজারে আসার কথা বৈশাখ মাসে। কিন্তু একটি অসাধু চক্র এর আগেই দাম বাড়িয়েছেন। এখন বাজারে যে চাল পাওয়া যাচ্ছে তা তিন মাস আগের চাল। 

সোমবার সকালে ঝালকাঠিতে বাজার নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তিনি শহরের বড় বাজার ও কাঠপট্টি এলাকায় কয়েকটি চাল এবং ভোজ্যতেলসহ নিত্যপণ্যের দোকান মনিটরিং শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এসময় জেলা প্রশাসক ফারাহ গুল নিঝুমসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

এ এইচ এম শফিকুজ্জামান বলেন, রোজায় সাধারণত কয়েকটি পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এজন্য চাল, ডাল, তেল, ছোলা, চিনি, খেজুরের পর্যাপ্ত মজুদ রাখা হয়েছে। এসব পণ্য যাতে কেউ মওজুত করতে নাপারে সে ব্যাপারে আমরা ব্যবস্থার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি। এজন্য অভিযানের ধরণ পরিবর্তন করা হয়েছে। আমরা খুচরা বাজার থেকে তথ্য নিয়ে মূল জায়গায় ব্যবস্থা নিতে চাই। 

অভিযান শেষে জেলার চেম্বার অফ কমার্সের সভা কক্ষে চাল, ভোজ্য তেল ও প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও অংশীজনের সংঙ্গে মতবিনিময় সভা করবেন তিনি। পরে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে প্রশাসন, ব্যবসায়ী ও সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।