
জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নুরু মিস্ত্রি নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে যখমের অভিযোগ উঠেছে তারই আপন ভাই সিদ্দিক মিস্ত্রি ও ভাতিজা হারুণের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার সকালে গুরুদাসপুর পৌর সদরের আনন্দনগর মহল্লায় ওই মারধরের ঘটনা ঘটে।
এঘটনায় আহতের স্ত্রী শ্যামলী বেগম বাদী হয়ে দুইজনকে অভিযুক্ত করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গুরুদাসপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। আহত নুরু এবং অভিযুক্তরা আনন্দ নগর মহল্লার বাসিন্দা। নুরু মিস্ত্রিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক বলেন, নুরুর শরীরে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। হাতে কাটা আছে। বুকেও সমস্যা হচ্ছে। পরীক্ষার পর বোঝা যাবে আঘাত কতটা গুরুত্বর।
শ্যামলী বেগম অভিযোগ করেন, জমি নিয়ে তাদের পারিবারিক বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার সকালে আনন্দনগর বিলে খেতে কীটনাশক প্রয়োগ করতে গিয়েছিলেন তার স্বামী নুরু মিস্ত্রী। একই সময় ভাসুর সিদ্দিক ও ভাসুরের ছেলে হারুণও ওই জমিতে যান। এসময় উভয়ের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে তার স্বামী নুরুকে লাঠি দিয়ে বেধরক পিটিয়ে যখম করেন অভিযুক্তরা। তিনি এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর করেন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। তিনি এই ঘটনার বিচার দাবি করেন।
অভিযুক্তরা পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোনোয়ারুজ্জান বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।