২৫ আগস্ট, ২০২৩

নাটোরে স্কুল মিল্ক ফিডিং কর্মসূচি: ফ্রিতে দুধ পেয়ে খুশি শিক্ষার্থীরা

নাটোরে স্কুল মিল্ক ফিডিং কর্মসূচি: ফ্রিতে দুধ পেয়ে খুশি শিক্ষার্থীরা

প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প এর আওতায় মেধাবী ও স্বাস্থ্যসম্মত জাতি গঠনের উদ্দেশ্যে স্কুল মিল্ক ফিডিং কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। প্রত্যন্ত অসহায় দরিদ্র এলাকার মানুষদের বাছাইকৃতভাবে পাইলট কর্মসূচির আওতাভুক্ত সারাদেশে ৩০০ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কে নির্বাচন করা হয়েছে। স্কুল মিল্ক কর্মসূচি বাস্তবায়ন কাল ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে আরম্ভ করে মোট ০৩ পঞ্জিকা বছর। বছরে মোট ১৬০ দিন শিক্ষার্থীদের দুধ প্রদান এবং খাওয়ানো হবে।

উন্নত বিশ্বের তুলনায় বাংলাদেশের মানুষের দুধ পানের পরিমাণ অনেক কম। উন্নত বিশ্বের একজন লোকের মাথাপিছু দৈনিক দুধ গ্রহণের পরিমাণ গড়ে প্রায় ১ লিটার কাছাকাছি হলে ও বাংলাদেশের মাত্র ১৭৬ মিলিলিটার। শারীরিক এবং মানসিক বিকাশে দুধের গুরুত্ব অনুধাবন পূর্বক মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাস্তবায়নাধীন লাইভস্টক এন্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রকল্প (এলডিডিপি )দুধ উৎপাদন ও প্রক্রিয়াকরণ এবং বাজারজাত করণে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছে।

নাটোর জেলার সদর উপজেলার কেশবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্কুল মিল্ক ফিডিং কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়েছে।  গত ১৪ জুলাই থেকে এই কর্মসূচির আওতায় ১২৪ জন কে নিয়মিত স্কুল চলাকালীন দিবসগুলোতে ২০০ মিলি ইউ এইচটি প্যাকেট সরবরাহ করে আসছে।

অত্র প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মানিক মিয়া  জানান প্রতিদিন দুধ পান করতে পেরে শিক্ষার্থীরা খুবই আনন্দিত ও নিয়মিত স্কুলে পাঠদান করতে আসছে। 
স্কুলে আসা ছাত্র-ছাত্রীদের এক অভিভাক জানান যে নিয়মিত দুধ পান করতে পেরে আমার ছেলে খুবই আনন্দিত। রাত্রে ভালো ঘুম হয় শরীর স্বাস্থ্য ভালো দেখাচ্ছে ও নিয়মিত স্কুলে যাওয়ার অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জনাব আসলাম হোসেন বলেন শিক্ষার্থীদের প্রাণিজ পুষ্টির যোগান দেওয়া ও আমিষ গ্রহণের উপকারিতা সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা। এছাড়া স্থানীয় দুগ্ধ উৎপাদনকারীদের দুধ বিক্রয় সহজতর ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা কর্মসূচিটির সাধারণ উদ্দেশ্য।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব শারমিনা সাত্তার বলেন দুধ একটি আদর্শ খাবার যা শিশুর মেধা বিকাশে ও দৈহিক গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে আগামী প্রজন্মকে সুস্থ ও সবল মেধাবী রূপে গড়ে তুলতে এই কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য।