১৩ আগস্ট, ২০২৩

গুরুদাসপুরে ঘরের ডাবে ঝুলছিল গৃহবধূর লাশ

সোহাগী খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূর লাশ ঝুলছিল ঝুপরি ঘরের ডাবে। গুরুদাসপুরের নাজিরপুর কারিগরপাড়ার পিতার বাড়ি থেকে শনিবার রাত ৮টার দিকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে। এঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

সোহাগীর পরিবার জানিয়েছে, বছরখানেক আগে নাজিরপুর ইউনিয়নের নতুনপাড়া গ্রামের মরহুম বুদ্দু মিয়ার ছেলে রাসেলের সাথে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় সোহাগীর। সেসময় বরপক্ষকে একলাখ টাকার যৌতুকও দেওয়া হয়েছিল। বিয়ের পর থেকেই একটি মোটরসাইকেলের দাবি জানিয়ে আসছিলেন রাসেল। এনিয়ে প্রায়শই তাদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ হতো।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, স্বামীর বাড়ি থেকে শনিবার বিকালে পিতার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন সোহাগী। সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে সুযোগ বুঝে সোহাগী শয়নঘরের পাশের ঝুপরি ঘরের ডাবের সাথে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন। সোহাগীর মা মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে ডাক-চিৎকার করেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় সোহাগীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।

গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনোয়ারুজ্জামান জানান, রাতেই লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এঘটনায় কোনো পক্ষের অভিযোগ না থাকায় থানায় অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।