মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় খসিয়ার রহমান (৬৫) রাজাকার দলের সদস্য ছিলেন। অপহরণ, খুন, নির্যাতনসহ নানা ধরণের মানবতা বিরোধী অপরাধ তার বিরুদ্ধে। মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। রায় শোনার পর থেকে ছদ্মবেশে আত্মগোপন করেছিলেন এই আসামি।
তবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক এই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার (২৬ জুলাই) বিকাল ৩টার দিকে নাটোরের লালপুর উপজেলার পানঘাটা সরদারপাড়া থেকে র্যাবের একটি তাকে গ্রেপ্তার করে।
মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ফসিয়ার রহমান যশোরের বাঘাপাড়া উপজেলার ছোট খুদরা গ্রামের মৃত মনছুর আলীর ছেলে। গ্রেপ্তারের বিষয়টি প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে জানিয়েছে র্যাব-৫।
র্যাবের নাটোর ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফরহাদ হোসেন জানান, মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ফসিয়ার রহমান রাজাকার বাহিনীর সদস্য ছিলেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধচলাকে নারী নির্যাতন, অপহরণ-হত্যাসহ মানবতাবিরোধী বিভিন্ন অপরাধের যুক্ত ছিলেন। তিনি যুদ্ধের সময় ৬জনকে হত্যাও করেছিলেন।
র্যাব জানিয়েছে, মানবতাবিরাধী অপরাধে আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ চলতি বছরের ২৫ জুন ফসিয়ার রহমানসহ ৪ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। রায় শোনার পর থেকেই ছদ্মবেশে পালিয়ে ছিলেন ফসিয়ার। সম্প্রতি তিনি নাটোরের লালপুর উপজেলায় অস্থান করছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পানঘাটা এলাকা থেকে তাকে গেপ্তার করা হয়।