কুড়িগ্রামের চিলমারীতে চিলমারী ইউনিয়নের কড়াইবরিশাল এলাকায় অবৈধভাবে জোর পূর্বক জমি দখল ও প্রাণনাশের হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নুর নবী নামের এক ব্যাক্তি।
শুক্রবার বেলা ১১টায় চিলমারী প্রেসক্লাব কার্যালয়ে প্রেসক্লাব এর সভাপতি মোঃ নজরুল ইসলাম সাবুর সভাপতিত্বে উপজেলার সাংবাদিকগণের উপস্থিতিতে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মো.নুর নবী(৪৮)।
লিখিত বক্তব্যে জানান,তিনি ও তার আত্মীয় স্বজন মিলে মানুষমারা মৌজার ১নং খতিয়ানের দাগ নং-৪৮,৪১,৪৫,৫৫,৫৭,৫৬,৯১,৫৪,৬২,৪০,৪৯,১৪,৩০,১২,৩১,০৯,৩৩,১৭,২৯,৩৮,৬০ ও ৫৩ দাগ সমুহে মোট ৪১ একর ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে জেগে ওঠা জমি ২০১২ইং সাল থেকে সরকারী বিধি মোতাবেক বন্দবস্ত নিয়ে ভোগ দখল করে আসছেন তারা।
সম্প্রতি একই এলাকার মধু মিয়া,রিয়াজুল হক যোদ্ধার,আমজাদ হোসেন,এরশাদুল হক,আইনুল হক,রফিক মিয়া,আজম মিয়া,ছয়ফল মিয়া ও এমদাদুল হক গং উক্ত জমি অবৈধভাবে জোর পূর্বক ভোগ দখলের অপচেষ্টায় আমাদের চাষাবাদকৃত ফসল বিভিন্নভাবে ক্ষতি করে আসছে।
বিষয়টি সুরাহার জন্য চিলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত আবেদন করা হয়।আবেদনের প্রেক্ষিতে গত বৃহস্পতিবার(২০ জুলাই) উপজেলা ভূমি সার্ভেয়ার ও চিলমারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা উক্ত জমি পরিমাপ করতে যান।জমি পরিমাপ শুরুর পূর্বে দুই পক্ষের নিকট বিবাদ সম্পর্কে জানতে চায় তারা।
এসময় পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক মধু মিয়া গং লাঠি,ছোড়া,দা,কুড়ালসহ বিভিন্ন প্রকার দেশিও অস্ত্র দিয়ে আমাদের উপর এলোপাতারি মার ডাং শুরু করে।এতে আমি,আমার বাবা আ.হামিদ,প্রতিবেশী আমিনুল ইসলাম ও জহুরুল হকসহ ৮জন মারাত্মকভাবে আহত হয়্। এদের মধ্যে তিন জন চিলমারী হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছেন। ঘটনার পর থেকে মধু মিয়া গং নানাভাবে আমাদের প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে আসছে।
সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অবৈধভাবে ভূমি দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির সুষ্ঠু বিচারের জন্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন,সুরুজ্জামাল ভাসানী ও সুরুজ্জামাল মোল্লাহ।