দিনাজপুরের বিরল উপজেলার গৌরবময় ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে একটি সমৃদ্ধ সংকলন প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। এ উপলক্ষে স্থানীয় লেখক ও গবেষকদের কাছ থেকে লেখা আহ্বান এবং রূপরেখা নির্ধারণে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিরল উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. রেজাউল ইসলাম।
বোর্ডহাট মহাবিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক বিধান দত্তের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে আলোচনায় অংশ নেন— উপজেলা কৃষি অফিসার রুম্মান আক্তার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) আরিফ ইকবাল, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মুর্শিদা খাতুন, দিনাজপুর সরকারি সিটি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ, লেখক ও গবেষক মোজাম্মেল বিশ্বাস, বিরল সরকারি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, কবি ও গবেষক আযাদ কালাম, লেখক ও গবেষক ইরফান আলী, নাট্যকার তারিকুজ্জামান তারেক, লেখক ও অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা ফরিদুল আজাদ মিলন, লেখক ও গবেষক চাষা হাবিব, লেখক ও কবি মাসুদ মুস্তাফিজ, লেখক ও গবেষক আজাহারুল আজাদ জুয়েল, বিরল প্রেস ক্লাবের সভাপতি আতিউর রহমান এবং লোকসংগীত শিল্পী ও বিরল প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আব্দুল কুদ্দুসসহ আরও অনেকে।
সভায় উপস্থিত লেখক, গবেষক ও প্রতিনিধিরা প্রকাশিতব্য গ্রন্থটি তথ্যসমৃদ্ধ, বস্তুনিষ্ঠ ও নিখুঁত করার লক্ষ্যে তথ্যের সত্যতা যাচাই, উপাত্ত সংগ্রহ এবং সম্পাদনার বিভিন্ন রূপরেখা নিয়ে মূল্যবান মতামত ব্যক্ত করেন। এর আগে গত ৫ জুলাই একই স্থানে এই সংকলন প্রকাশের বিষয়ে প্রথমদফার মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, “একটি জাতির মূল ভিত্তি হচ্ছে তার ইতিহাস ও ঐতিহ্য। বিরল উপজেলার একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে, যা নতুন প্রজন্মের জানা অত্যন্ত জরুরী। প্রযুক্তির নানামুখী পরিবর্তনের এই যুগে তরুণ সমাজ যেন নিজের শিকড় ও অতীতকে ভুলে না যায়, সে লক্ষ্যেই আমরা বিরলের ইতিহাস এবং ঐতিহ্যবাহী উপাদানগুলো গ্রন্থাকারে সংরক্ষণের এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।”