এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে আগামী ১৬ জুলাই ঢাকার পান্থপথের বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের বেসমেন্ট-১ এ (দোকান নং ৪১-৪২) অপোর নতুন গামা কোম্পানি স্টোর উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জামাল ভূঁইয়া। শুধু তাই নয়, তিনি প্রতীকীভাবে ‘ওয়ান-ডে শপ ম্যানেজার’ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন এবং স্টোরে আগত ক্রেতা ও ভক্তদের সঙ্গে সময় কাটাবেন।
উদ্বোধনের দিন প্রথম ১০০ জন স্মার্টফোন ক্রেতা পাবেন জামাল ভূঁইয়ার স্বাক্ষর করা বিশেষ টি-শার্ট। এছাড়া ১৬ জুলাই অপো স্মার্টফোন কিনলেই ক্রেতারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি মেগা লটারিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। এতে অপো ওয়াচ, অপো প্যাড এসই, অপো এনকো বাডস৩ প্রো এবং জামাল ভূঁইয়ার স্বাক্ষর করা ফুটবলসহ বিভিন্ন আকর্ষণীয় পুরস্কার জেতা যাবে।
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মেও থাকছে বিশেষ আয়োজন। ‘মেক ইওর ওয়ার্ল্ড কাপ মোমেন্ট উইথ অপো’ ক্যাম্পেইনের ওয়েবসাইটে বিশ্বকাপ নিয়ে নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ এবং বিভিন্ন ইন্টারঅ্যাকটিভ কার্যক্রমে অংশ নেওয়া নির্বাচিত বিজয়ীরা জামাল ভূঁইয়ার সঙ্গে এক্সক্লুসিভ ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ সেশনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। সেখানে জাতীয় দলের অধিনায়কের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ, আলাপচারিতা এবং স্মরণীয় মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করার সুযোগ থাকবে।
এ ছাড়া ‘শুট অ্যান্ড উইন – মেক ইওর ওয়ার্ল্ড কাপ মোমেন্ট উইথ অপো’ ক্যাম্পেইনের বিজয়ীরাও জামাল ভূঁইয়ার সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পাবেন। অপো স্মার্টফোন কেনা, ‘মাই অপো’ অ্যাপ ডাউনলোড এবং নির্ধারিত আউটলেটে ফুটবলভিত্তিক চ্যালেঞ্জে অংশ নিয়ে গ্রাহকরা বিশেষ ছাড়ের পাশাপাশি আকর্ষণীয় পুরস্কার জয়ের সুযোগ পাচ্ছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্যও থাকছে বিশেষ চমক। দেশব্যাপী ভোটাভুটিতে সর্বাধিক ভোট পাওয়ায় ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি) জামাল ভূঁইয়ার সঙ্গে ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ম্যাচ দেখার আয়োজনের সুযোগ পেয়েছে। আগামী ১৬ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হবে এই এক্সক্লুসিভ ম্যাচ স্ক্রিনিং ও ফ্যান এনগেজমেন্ট অনুষ্ঠান।
অপো বাংলাদেশ অথরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের জেনারেল ম্যানেজার ডেমন ইয়াং বলেন, ফুটবল বাংলাদেশের মানুষকে এক অনন্য বন্ধনে যুক্ত করে। তাই শুধু একটি প্রচারণা নয়, বরং ভক্তদের জন্য স্মরণীয় অভিজ্ঞতা তৈরি করাই তাদের লক্ষ্য। জামাল ভূঁইয়া দেশের ফুটবলের গর্ব ও আবেগের প্রতীক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে এমন কিছু মুহূর্ত তৈরি করতে চায় অপো, যা খেলা শেষ হওয়ার পরও ভক্তদের মনে দীর্ঘদিন ধরে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
অপোর এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রযুক্তি ও ফুটবলপ্রেমীদের আবেগের মধ্যে নতুন এক সংযোগ তৈরি হচ্ছে। একই সঙ্গে তরুণদের জন্য আরও অর্থবহ ও অংশগ্রহণমূলক অভিজ্ঞতা তৈরির ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও বজায় রাখার প্রত্যাশা জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।