২৬ মে, ২০২৬

লাকড়ি সংগ্রহে গিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার এক গৃহবধূ

লাকড়ি সংগ্রহে গিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার এক গৃহবধূ

রান্নার জন্য লাকড়ি সংগ্রহে বেরিয়ে গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ (২৬)। রোববার সকালে নাটোরের বাগাতিপাড়ায় ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় গতকাল সোমবার রাতে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগির গৃহবধূর স্বামী।

গণধর্ষণের ঘটনায় মামলা গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করে বাগাতিপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবদুল হান্নান বলেন, ভুক্তভোগি নারী বাড়ির পাশের আমবাগানে জ্বালানি সংগ্রহ করছিলেন। একা পেয়ে ওই নারীকে ভুট্টাখেতের ভেতরে নিয়ে সংবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে মর্মে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।  

এজারহার সূত্রে জানাগেছে, ধর্ষণ মামলায় আসামি করা হয়েছে বাগাতিপাড়া উপজেলার মো. আসলাম আলী (৫০) ও ষষ্ঠী কুমারকে (৪২)।

ধর্ষণের শিকার ওই নারীর পরিবার সূত্রে জানাগেছে, রান্নার কাজে ব্যবহারের জন্য ওই নারী গত রোববার সকালে বাড়ির পাশের আমবাগানে যান। সেখানে পড়ে থাকা শুকনো ডালপালা সংগ্রহ করছিলেন। এ সময় দুই ব্যক্তি আচমকা মুখ চেপে ধরে ওই নারীকে বাগানের পাশের ভুট্টাখেতের ভেতর নিয়ে যান। সেখানে পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান। ঘটনার পর বেশ কিছু সময় ওই নারী অসুস্থ হয়ে ভুট্টাখেতেই পড়ে ছিলেন। পড়ে বাড়িতে ফিরে পরিবারের সদস্যদের কাছে ঘটনাটি জানান। এর পর ওই নারীকে দ্রুত বাগাতিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ওই নারীর স্বামী বলেন, গতকাল সোমবার রাতে তিনি ধর্ষণ মামলা দায়ের করলেও আজ মঙ্গলবার পর্যন্ত পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি। তিনি বলেন, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সামাজিকভাবে তারা অসম্মানের মুখে পড়েছেন। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচার দাবি তার।

থানার ওসি আবদুল হান্নান বলেন, মামলা দায়েরের পর থেকে পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা ঘটনার পর থেকে পলাতক থাকায় তাঁদের গ্রেপ্তারে সময় লাগছে। ইতিমধ্যে ভুক্তভোগী নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর আদালতে জবানবন্দি গ্রহণের জন্য হাজির করা হয়েছে।