টস জিতে পাকিস্তান ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠালে শুরুতেই অভিষেক শর্মাকে (০) হারায় টিম ইন্ডিয়া। তবে সেই ধাক্কা টেরই পেতে দেননি ঈশান কিষান।
মাত্র ২৭ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করে তিনি গড়েন ভারত-পাকিস্তান লড়াইয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্রুততম ফিফটির রেকর্ড। আউট হওয়ার আগে ৪০ বলে ৭৭ রানের (১০টি চার ও ৩টি ছক্কা) এক টর্নেডো ইনিংস খেলেন তিনি।
মিডল অর্ডারে অধিনায়ক সূর্যকুমারের ৩২ এবং শেষ দিকে শিবম দুবের ২৭ ও তিলক ভার্মার ২৫ রানের ছোট ছোট ইনিংসে ভর করে ভারত পায় ১৭৫ রানের লড়াকু পুঁজি। পাকিস্তানের হয়ে সায়েম আইয়ুব ৩টি উইকেট নিলেও তা ভারতের রানের গতি থামাতে পারেনি।
বুমরা-পান্ডিয়ার তোপে খড়কুটোর মতো উড়ল পাকিস্তান
১৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে পাকিস্তানের ইনিংস তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে। দ্বিতীয় ওভারেই যশপ্রীত বুমরা জোড়া আঘাত হেনে পাকিস্তান শিবিরের মেরুদণ্ড ভেঙে দেন। বাবর আজম (৩৪) ও উসমান খান (৪৪) কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করলেও হার্দিক পান্ডিয়া ও অক্ষর প্যাটেলের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে তারা বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১৮ ওভারে ১১৪ রানেই অলআউট হয় পাকিস্তান।
ভারতের সফল বোলাররা:
হার্দিক পান্ডিয়া: ২/১৬
যশপ্রীত বুমরা: ২/১৭
বরুণ চক্রবর্তী: ২/১৭
অক্ষর প্যাটেল: ২/২৯
সমীকরণ: ভারত শীর্ষে, পাকিস্তান শঙ্কায়
টানা ৩ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে 'এ' গ্রুপের শীর্ষস্থান ও সুপার এইট নিশ্চিত করেছে ভারত। অন্যদিকে, ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে পাকিস্তান এখন টেবিলের তিনে। যুক্তরাষ্ট্র ৪ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে নেট রান রেটে এগিয়ে থাকায় পাকিস্তান এখন খাদের কিনারে। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি নামিবিয়ার বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জিতলেই কেবল সুপার এইটে যাওয়ার সুযোগ থাকবে বাবর আজমদের সামনে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ভারত: ১৭৫/৭ (২০ ওভার)
পাকিস্তান: ১১৪/১০ (১৮ ওভার)
ফলাফল: ভারত ৬১ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা: ঈশান কিষান।
সুপার এইটে ভারতের প্রতিপক্ষ কারা হতে পারে, তা জানতে কি আপনি আগ্রহী?