৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বড়াইগ্রামে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে ৩ ঘণ্টা কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ

বড়াইগ্রামে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে ৩ ঘণ্টা কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডভুক্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কর্মবিরতি, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত উপজেলা প্রশাসনিক ভবন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

কর্মসূচির বিস্তারিত: এক দফা দাবিতে আয়োজিত এই কর্মসূচি চলাকালে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সকল ধরনের দাপ্তরিক কাজ বন্ধ রেখে অবস্থান নেন। এর ফলে তিন ঘণ্টা যাবত উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। তারা ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে নিয়ে পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

বক্তাদের বক্তব্য ও ক্ষোভ: সমাবেশে বক্তারা বলেন, “২০১৫ সালে সর্বশেষ পে-স্কেল ঘোষণার পর দীর্ঘ এক দশক পার হয়ে গেলেও নতুন কোনো কাঠামো দেওয়া হয়নি। বর্তমান বাজারে দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, তাতে একজন ২০তম গ্রেডের কর্মচারীর ৮ হাজার ২৫০ টাকা মূল বেতন দিয়ে সংসার চালানো তো দূরের কথা, জীবন ধারণ করাই অসম্ভব হয়ে পড়েছে।”

তারা আরও বলেন, বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের সরকারি কর্মচারীরা চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এ সময় বক্তারা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত ৯ম পে-স্কেল ঘোষণার মাধ্যমে তাদের সংকট নিরসনের দাবি জানান।

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন: কর্মসূচি থেকে ঘোষণা দেওয়া হয় যে, যতদিন পর্যন্ত সরকার ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট প্রজ্ঞাপন জারি না করবে, ততদিন তারা রাজপথ ছাড়বেন না এবং কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সাথে সংহতি জানিয়ে আরও কঠোর আন্দোলনে যাবেন।