তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা প্রকাশ্যে কর্মজীবী নারীদের উদ্দেশে এমন শব্দ ব্যবহার করেছেন, যা স্পষ্টতই অপমানজনক ও কলঙ্কস্বরূপ। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা শুরু হতেই দায় এড়াতে আইডি হ্যাকের গল্প শোনানো হচ্ছে।
তারেক রহমান বলেন, দেশের প্রায় ২০ কোটি মানুষের অর্ধেকই নারী। এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে পেছনে রেখে কোনো উন্নয়ন পরিকল্পনা সফল হতে পারে না। পোশাকশিল্পসহ বিভিন্ন খাতে নারীরা দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছেন। দ্রব্যমূল্যের চাপে অনেক নারী সংসারের দায়িত্ব ভাগ করে নিচ্ছেন। অথচ আজ তারাই অবমাননার শিকার হচ্ছেন—এটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
ইসলামের উদাহরণ টেনে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, যারা ইসলাম কায়েমের কথা বলেন, তাদের মনে রাখা উচিত—নবী করিম (সা.)-এর সহধর্মিণী হযরত খাদিজা (রা.) ছিলেন একজন সফল ব্যবসায়ী। তাই নারীদের কর্মসংস্থান নিয়ে কটূক্তি করার অধিকার কারও নেই।
ক্ষমতায় এলে বিএনপি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে নারীদের ধাপে ধাপে স্বাবলম্বী করে তোলা হবে, যাতে তারা কারও ওপর নির্ভরশীল না থাকেন।
খুলনা অঞ্চল প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, এক সময়ের শিল্পসমৃদ্ধ খুলনা আজ কার্যত স্থবির। বিএনপি সরকার গঠন করলে খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটকে আবারও আধুনিক শিল্পনগরীতে রূপান্তর করা হবে। নারী-পুরুষ সবার জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
তিনি আরও বলেন, তরুণদের জন্য আইটি পার্ক ও আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড চালু করে ঋণ, সার, বীজ ও কীটনাশক সহজলভ্য করা হবে। বর্তমানে যেসব কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ রয়েছে, তা সুদসহ মওকুফ করা হবে।