Login





Register

muktoprovat
English Edition
Image

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ফােইরুজ সাদাফ অবন্তিকা সহপাঠি আম্মান সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে উত্যাক্ত করা ও হয়রানির অভিযোগ জানিয়েছিলেন। গত বছরের ১৪ নভেম্বর তৎকালীন প্রক্টরের কাছে সহপাঠির বিরুদ্ধে দেওয়া অভিযোগে ব্যাপারে কোনো ব্যাবস্থা নেওয়া হয়নি।

এছাড়া আম্মানের হয়রানি, হুমকির শিকার হয়ে নিরাপত্তহীনতায় ভুগছেন। এবিষয়ে প্রতিরোধ মূলক ব্যবস্থা নিতে আবেদনও করেছিলেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অবন্তিকার এসব অভিযোগের ব্যপারে উদাসিনতা দেখানো হয়েছে।  

তদন্ত কমিটি জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনায় যত দ্রুত সম্ভব তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

রোববার (১৭ মার্চ) দুপুরে তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন নেতৃত্বে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় তদন্ত কীভাবে শুরু করা হবে, তার রোডম্যাপ করা হয়।

সভা শেষে অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘যত দ্রুত সম্ভব তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। আমাদের উদ্দেশ্য প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা।

আজ বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার পরও আমরা সভা করেছি এবং আগামীকালও করবো।’

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, ‘অবন্তিকার আত্মহত্যার ঘটনা সুক্ষভাবে বিশ্লেষণ করা হবে এবং আগামী সিন্ডিকেট সভায় সকল তদন্ত রিপোর্ট পেশ করা হবে।’

তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন- সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক আবুল হোসেন, আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক মাসুম বিল্লাহ, সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান ঝুমুর আহমেদ এবং সদস্যসচিব ডেপুটি রেজিস্ট্রার (আইন) রঞ্জন কুমার

জবিতে রমজানব্যাপী ৫০টাকায় ইফতার

জবির ক্যাফেটেরিয়া।-ছবি মুক্ত প্রভাত

Image
পবিত্র রমজান মাসে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ায় থাকছে ইফতারের ব্যবস্থা। ৫০ টাকার ইফতার প্যাকেজে মিলবে ৮টি আইটেম। গতবছর ক্যাফেটেরিয়ায় সেহরি খাওয়ার ব্যবস্থা থাকলেও এবার সেটির বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। জানা যায়, ৫০ টাকা মূল্যের ইফতার প্যাকেজে থাকবে মোট ৮ টি ভিন্ন ভিন্ন আইটেম। তার মধ্যে ১ প্যাকেট মুড়ি, ১বাটি ছোলা, ১টি আলুর চপ, ১টি বেগুনি, ১টি পিঁয়াজু, ২টি খেজুর ও ১ গ্লাস শরবত। পাশাপাশি প্রতিদিন ভিন্ন ধরণের ফল থাকবে একটি। ইফতার শুরুর আগ পর্যন্ত এসব আইটেম কেনা যাবে। ক্যাফেটেরিয়ার পরিচালক মো: মাসুদ বলেন, প্রথম রোজা থেকেই ইফতারের ব্যবস্থা থাকবে৷ শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে এই ব্যবস্থা। এই আয়োজন থাকবে মাসব্যাপী। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ায় ইফতারের আয়োজনে স্বস্তি প্রকাশ করেছে শিক্ষার্থীরা। দামের দিক থেকে সাশ্রয় হবার পাশাপাশি একসাথে বসে ইফতার করার সুযোগে খুশি তারা৷ তবে গতবছরের মত এবছরও সেহরির ব্যবস্থা চান শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম বলেন, এখন সবকিছুর দাম বেশি৷ গতবার ৪০ টাকার প্যাকেজ ছিল এটা এবার ৫০ টাকা করা হয়েছে। ক্যাফেটেরিয়ার কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেই এই দাম নির্ধারণ করেছি যেন তাদেরও কিছু টাকা থাকে আবার শিক্ষার্থীদেরও যেন চাপ না হয়। তিনি বলেন, অন্য ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদের জন্যে গতবছর দুপুরে খাবারের ব্যবস্থা ছিল। তবে এইবছর এখনও দুপুরে খাবার রাখার ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা শিক্ষার্থীর সংখ্যার উপর নির্ভর করছে৷ যদি শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি হয় আমি খাবারের ব্যবস্থা করব। প্রসঙ্গত, গত বছর শিক্ষার্থীদের সার্বিক সুবিধার্থে ইফতারের ব্যবস্থার পাশাপাশি ক্যাফেটেরিয়ায় সেহরির খাবারের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। সেই আয়োজনে শিক্ষার্থীদের আশানুরূপ সাড়া পাওয়া যায়।
জবি ইফতার শিক্ষা বিশ্ববিদ্যালয়
শিক্ষক নিয়োগের নতুন বিজ্ঞপ্তি ২৩ মার্চ
Image
গেল ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, আবেদনের জন্য যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতক (সম্মান) পাস থাকতে হবে। প্রার্থীদের বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়স ৩২ বছর।
বিএনসিসির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে জবির বর্ণাঢ্য আয়োজন

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় আনন্দ র‍্যালি ও কেক কেটে উদযাপিত হয়।-ছবি মুক্ত প্রভাত

Image
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) যথাযোগ্য মর্যাদায় আনন্দ র‍্যালি ও কেক কেটে উদযাপিত হলো বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরপ্স (বিএনসিসি) ৪৪ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। এ উপলক্ষে আজ ২৩ মার্চ (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে এগারো টায় একটি আনন্দ র‍্যালির আয়োজন করে বিএনসিসি, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যায়ল কন্টিনেজেন্ট। র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হক এবং জবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড মো. কামাল উদ্দিন আহমেদ ও রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান সহ আরো শিক্ষক বৃন্দ। এছাড়াও র‍্যলিতে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যায়ল বিএনসিসির কোম্পানি কমান্ডার ও প্লাটুন ইনচার্জ অধ্যাপক ড. আতিয়ার রহমান, প্লাটুন কমান্ডার সাজিয়া আফরিন এবং বিএনসিসির প্রশিক্ষক বাবুল আহমেদ সহ বিএনসিসির অন্যান্য ক্যাডেট বৃন্দ। এসময় পিইউও আতিয়ার রহমান বলেন : দেশের যুব সমাজ কে উন্নত প্রশিক্ষন দিয়ে জরুরী মুহুর্তে সেনাবাহিনীর পাশাপাশি সব সময় সহযোগী হিসেবে প্রস্তুত রাখতে বিএনসিসি বদ্ধ পরিকার। যুব সমাজ কে শান্তি শৃঙ্খলা একতার মন্ত্রে বলিয়ান করতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যায়ল বিএনসিসি শুরু থেকে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও করবে। এর পর উপাচার্জের কনফারেন্স কক্ষে উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষের উপস্থিতিতে কেক কেটে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করা হয়। উল্লেখ্য,১৯৮৪ সালের ২৩ মার্চ শান্তি শৃঙ্খলা একতাকে মূল মন্ত্র হিসেবে নিয়ে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরপ্স ( বিএনসিসি)।
বাংলাদেশ জবি সভা বিশ্ববিদ্যালয়
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্ধারণ হচ্ছে সভাপতির যোগ্যতা

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি -ফাইল ছবি

Image
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা ২০২৩ চূড়ান্ত করা হয়েছে। আজ ২৩ ফেব্রুয়ারী এক বিশ্বস্তসুত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা। প্রাথমিকের পর অবশেষে বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের সভাপতি হওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার মানদণ্ড নির্ধারণ করছে সরকার। এক্ষেত্রে আগ্রহী ব্যক্তিকে ন্যূনতম এইচএসসি পাস হতে হবে। এ ছাড়া সরকারি আমলারাও সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে অনাপত্তি সনদ নিয়ে সভাপতি হওয়ার সুযোগ পাবেন। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হতে হলে একজন ব্যক্তিকে ন্যূনতম স্নাতক পাস হতে হয়। কিন্তু বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হওয়ার জন্য এতদিন পর্যন্ত কোনো শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারিত ছিল না। একাধিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কলেজের অধ্যক্ষদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকার পরও অর্থবিত্ত ও রাজনৈতিক প্রভাব আছে এমন লোকজন সভাপতির আসনে বসেন। শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে তাদের ভালো ধারণা না থাকায় নানা বিষয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট করেন। এজন্য এটি কার্যকরী সিদ্ধান্ত হয়েছে। ২০১৯ সনে নভেম্বরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হতে হলে স্নাতক পাস হতে হবে বলে নীতিমালা জারি করে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এরপর মাধ্যমিকেও সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক নির্ধারণের দাবি উঠে বিভিন্ন মহল থেকে। সব শিক্ষা বোর্ড, প্রশাসনের কর্মকর্তা ও শিক্ষাবিদদের পরামর্শে আপাতত এইচএসসি পাস নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, মাধ্যমিকের ম্যানেজিং কমিটি ও কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি হতে হলে ন্যূনতম এইচএসসি পাস হতে হবে। একজন ব্যক্তি দুটি মাধ্যমিক ও দুটি কলেজ মিলিয়ে সর্বোচ্চ চারটি প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হতে পারবেন। এ ছাড়া সরকারি আমলারা সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে অনাপত্তি সনদ নিয়ে সভাপতি হতে পারবেন।
বাংলাদেশ শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষক সভাপতি শিক্ষা
যবিপ্রবিতে নানা কর্মসূচিতে মহান  স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন

Image
আলোচনা সভা, যশোর শহরস্থ বিজয় স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনসহ নানা কর্মসূচিতে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৩ উদযাপন করা হয়েছে। যবিপ্রবির মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় সূর্যোদয়ক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে। এরপর সকাল ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। সকাল সোয়া ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একাডেমিক ভবনের গ্যালারিতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর ঐতিহাসিক নেতৃত্ব এবং দেশের উন্নয়ন’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ ইকবাল কবীর জাহিদ। আলোচনা সভায় অধ্যাপক ড. মোঃ ইকবাল কবীর জাহিদ বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল অর্থনৈতিক স্বাধীনতা। কিন্তু বিভিন্ন রাজনতৈকি বাঁক বদলের কারণে সেই অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বারবার হোঁচট খেয়েছে। কিন্তু ২০০৮ সালের পর বাংলাদেশের উন্নয়ন যদি দেখি, তাহলে দেখব যে বাংলাদেশ তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে। যে বাংলাদেশকে এক সময় বলা হতো, তলাবিহীন ঝুঁড়ি, সেই বাংলাদেশ এখন আর নেই। বাংলাদেশের মানুষ এখন স্বাধীনতার সুফল ভোগ করছে।’ যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আব্দুল মজিদ আলোচনা সভায় মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে তাঁর অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এ দেশকে স্বাধীন করার স্বপ্ন দেখেছিলেন বলেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। বঙ্গবন্ধু যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্ন তাঁর সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাস্তবায়ন হচ্ছে। তাঁর হাতকে আমাদের আরও শক্তিশালী করতে হবে। যবিপ্রবির ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. আলম হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব, শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গালিব, এ্যগ্রো প্রডাক্ট টেকনোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাস, উপ-রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ এমদাদুল হক, পিএ কাম কম্পিউটার অপারেটর আতিকুর রহমান প্রমুখ। আলোচনা সভায় বিভিন্ন অনুষদের ডিনবৃন্দ, বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ, দপ্তরপ্রধানবৃন্দ, শিক্ষার্থী-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক তানভীর আহমেদ। পরে সকাল সাড়ে ৯টায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে নিয়ে যবিপ্রবির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ ইকবাল কবীর জাহিদ যশোর শহরের মণিহার অবস্থিত বিজয় স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। একইসঙ্গে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তাবৃন্দ ও কর্মচারীবৃন্দ বিজয় স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপরে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ, সাংবাদিক সমিতিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনও বিজয় স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। এর আগে সকাল ৯টায় শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকস্থ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন যবিপ্রবির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ ইকবাল কবীর জাহিদ। অনুরূপভাবে যবিপ্রবির শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তাবৃন্দ ও কর্মচারীবৃন্দ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত করা হয়। এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষ্যে ক্যাম্পাসের প্রধান সড়ক ও বিভিন্ন ভবনে আলোকসজ্জা করা হয়েছে।
দিবস. স্বাধীনতা মহান
রানীশংকৈল নেকমরদ বঙ্গবন্ধু ডিগ্রী কলেজকে সরকারী ঘোষনা

নেকমরদ বঙ্গবন্ধু ডিগ্রী কলেজকে সরকারী ঘোষনা

Image
ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ বঙ্গবন্ধু ডিগ্রী কলেজকে সরকারী করণের ঘোষনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত ২১ মার্চ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের বেসরকারী কলেজ-৬ শাখা এর উপসচিব মোছা: রোকেয়া পারভীন স্বাক্ষরিত পত্রে বলা হয়েছে,সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারী আত্তীকরণ বিধিমালা- ২০১৮ এর আলোকে ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশংকৈল উপজেলাধীন নেকমরদ বঙ্গবন্ধু কলেজ গত ১৬ মার্চ থেকে সরকারী করা হলো। সরকারী করণের খবরে ওই কলেজের শিক্ষক শিক্ষার্থী,অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে। রাণীশংকৈল উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৯কিলোমিটার দুরে নেকমরদ ইউনিয়নে অবস্থিত নেকমরদ বঙ্গবন্ধু ডিগ্রী কলেজ। কলেজটি ১৯৭২ সালের ২১ জুন স্থাপিত হয়ে ওই ইউনিয়নসহ আশপাশের ইউনিয়নের শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার জন্য বাতিঘর হিসাবে দাড়িয়ে পড়ে। কলেজটি প্রতিষ্ঠার স্বল্প দিনের মধ্যেই ভালো একটি অবস্থানে দাড়িয়ে যায়। পড়ালেখার মানদন্ডের বিচার বিশ্লেষনে কলেজটি ১ জানুয়ারী ১৯৮৮ সালে এমপিওভুক্ত(মান্থলি পেমেন্ট অর্ডার) হয়। সে থেকে কলেজের পড়ালেখার মান ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা দিনের দিন বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে কলেজটিতে উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক(ডিগ্রী) শাখা মিলে মোট ১ হাজার ৪০০ শিক্ষার্থী রয়েছে। কলেজটিতে মোট শিক্ষক রয়েছে ৩৪ জন, কর্মচারী রয়েছে ১৪ জন। কলেজ সরকারী করণের বিষয়ে এইচএসসি ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী আখি আকতার বলেন, খুব খুশি লাগছে এই ভেবে যে, আমি বর্তমানে সরকারী কলেজের শিক্ষার্থী। একইভাবে ডিগ্রী ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী ইয়াসিন আলী বলেন, টাকার অভাবে এবং যাতায়াতের খরচের অভাবে পীরগঞ্জ সরকারী কলেজে ভর্তি হওয়ার ইচ্ছে থাকলেও হতে পারিনি। পরে বাড়ীর কাছের নেকমরদ বঙ্গবন্ধু কলেজে ভর্তি হয়েছি। এখন খুব খুশি লাগছে, সরকারী কলেজে পড়ার সুযোগ হয়েছে। জানতে চাইলে নেকমরদ বঙ্গবন্ধু নব্য সরকারী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দীন বলেন, সরকারী হওয়ায় আমরা সবাই খুশি। আমরা কলেজ কর্তৃপক্ষ সবচেয়ে বেশি ঋণী হয়ে থাকবো ঠাকুরগাঁও-২ আসনের এমপি দবিরুল ইসলাম ও জেলা আ’লীগের সভাপতি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাদেক কুরাইশির নিকট। তাদের সব ধরনের সহযোগিতায় নেকমরদ কলেজ সরকারী করণ হয়েছে। একপ্রশ্নের জবাবে বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছেলে মেয়েরা এখন সরকারী কলেজে পড়ালেখা করবে এ জন্য যেমন শিক্ষার্থীরা খুশি তেমনিভাবে অভিভাবকসহ স্থানীয়রা বেশ আনন্দিত।
সরকারী ঘোষনা ডিগ্রী কলেজ বঙ্গবন্ধু নেকমরদ রানীশংকৈল
জবি শিক্ষার্থীদের উপর স্থানীয়দের হামলা

জবি শিক্ষার্থীদের উপর স্থানীয়দের হামলা, নিরবে পুলিশ

Image
পুরান ঢাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের ওপর স্থানীয়দের মারধরের ঘটনা ঘটেছে। ক্যাম্পাস থেকে দূরে গেন্ডারিয়া এলাকায় স্থানীয় কিশোর গ্যাং সদস্যরা এ হামলা চালায়। এ ঘটনায় অন্তত ৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে গুরুতর আহত এক শিক্ষার্থী ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎধীন আছে। এসময় ওই এলাকায় স্থানীয় পুলিশ নিরব ভূমিকা পালন করেছে বলে অভিযোগ করেছেন আহত শিক্ষার্থীরা। সোমবার (২৭ মার্চ) রাত ১০ টার দিকে গেন্ডারিয়ার মুরগিটোলা মোড় এলাকায় প্রথম দফায় ও ১১ টার দিকে দ্বিতীয় দফায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর ফোন ছিনতাইয়ের ঘটনায় স্থানীয়দের সাথে মারামারির ঘটনা ঘটে শিক্ষার্থীদের। তখন এক শিক্ষার্থী ও স্থানীয় দুইজনকে আটক করে সূত্রাপুর থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। পরবর্তীতে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। পরে রাত ১১ টার দিকে আবু সুফিয়ান ও শিহাব নামের জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের টি-শার্ট পরিহিত অবস্থায় মুরগিটোলা মোড়ে চা খেতে গেলে হঠাৎ ৫০ থেকে ৬০ জন স্থানীয় কিশোর গ্যাং এসে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। পরে ওই দুই শিক্ষার্থীর ওপর অতর্কিত হামলা চালায় তারা। এসময় তাদের চিৎকারে আরও আশেপাশে অবস্থান করা আরও কয়েকজন শিক্ষার্থী এগিয়ে এলে তাদের উপরও আক্রমণ করে স্থানীয়রা। এতে অন্তত ৫ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে গুরুতর আহত একজন শিক্ষার্থীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষার্থী আবু সুফিয়ান বলেন, ‘আমি চা খাওয়ার জন্য আমার বন্ধুর সাথে বের হয়েছিলাম। হঠাৎ স্থানীয় কয়েকজন এসে আমাদের আটকিয়ে কোথায় থাকি জিজ্ঞাসা করে। বানিয়ানগর থাকি বলতেই আমাদের ওপর অনেকগুলো ছেলে আক্রমণ করে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের টি-শার্ট পরিহিত থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম নিয়ে গালিগালাজ করতে থাকে আর মারতে থাকে। আমরা আগের ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানতাম না।’ তবে ঘটনার সময় পুলিশের নিরব ভূমিকা নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন হামলার শিকার শিক্ষার্থীরা। এসময় পুলিশ এক শিক্ষার্থীকে মারধর করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তারা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালালেও পাশে অবস্থান করা পুলিশ চেয়ে চেয়ে দেখেছে। হামলার শিকার শিক্ষার্থীদের সহায়তায় এগিয়ে যায়নি পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা যায়। প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন মিলে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালালেও ঘটনাস্থলে ১০ এর অধিক পুলিশ অবস্থান করলেও তারা কার্যকর কোনো ভূমিকা পালন করেনি। হামলার শিকার শিহাব নামের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের মারধর করার পর পুলিশ এসে থামায়। কিন্তু বলতে থাকে তোরা জগন্নাথের স্টুডেন্ট এখানে আসছিস কেনো? এই কথা বলেই পুলিশ আমাকে মারতে থাকে।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘আ‌মি বিষয়‌টি জানার পর আহত‌দের চি‌কিৎসার জন্য ব্যবস্থা ক‌রে দি‌য়ে‌ছি। আর সুত্রাপুর ও গেন্ডা‌রিয়া দুই থানার ও‌সির সা‌থেই কথা বলে‌ছি থানাই অ‌ভি‌যোগ দি‌লে অ‌ভিযুক্ত‌দের বি‌রুদ্ধে ব্যবস্থা নি‌বে। আর পু‌লিশ‌ যে শিক্ষার্থী‌দের উপর হাত তু‌লে‌ছে সেই ভি‌ডিওটিও ও‌সি‌কে দি‌য়ে‌ছি।' এবিষয়ে জানতে চাইলে গেন্ডারিয়া থানার ওসি মো. আবু সাঈদ আল মামুন বলেন, 'এটা সূত্রাপুর থানা অধীনে। তবে ঘটনার সময় সেখানে আমাদের পুলিশ সদস্যরা ছিল। তারা মারামারি থামিয়ে দিয়েছে। পরে আমি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। তবে এ ঘটনায় আমাদের এখানে কেউ কোনো অভিযোগ দেয়নি।' এবিষয়ে জানতে চাইলে সূত্রাপুর থানায় ওসি মো. মইনুল ইসলাম বলেন, ’ওই ঘটনায় ভিকটিম এখনো আমাদের কাছে কোনো অভিযোগ করেনি। কোথা থেকে ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে তা ভিকটিম আসলে তথ্যের মাধ্যমে জানতে পারবো। আর যেই দুজন কে আটক করা হয়েছিল তারা এ ঘটনার সাথে জড়িত না। তাই তাদের মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’
বিশ্ববিদ্যালয় জড়িত হামলা নিরবে পুলিশ
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সভাপতি নিয়ে নতুন আইন

-প্রতিকী ছবি

রাবি পীরগাছা উপজেলা সমিতির নতুন কমিটি

-ছবি মুক্ত প্রভাত

Image
গণিত বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড.শাহাদৎ হোসেনকে সভাপতি এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী মিজানুর রহমান আপেলকে সাধারণ সম্পাদক করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) পীরগাছা উপজেলা সমিতির নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. মুহাম্মদ কুদরাত-এ-খুদা একাডেমিক ভবনে নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ২৮ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটি ঘোষণা করেন সংগঠনটির সাবেক সভাপতি ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মো. মমিনুল ইসলাম। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি মেহেদী হাসান শাওন, সৈয়দ ফরিদ আহমেদ, আল-আমিন মুন্না এবং তাজমিন তিথি। যুগ্ম-সম্পাদক মিথিলা আক্তার, আশিকা আক্তার এবং সুলতান মাহমুদ লিখন। সাংগঠনিক সম্পাদক আশিকুর রহমান উজ্জ্বল। কোষাধ্যক্ষ মেজবাউল ইসলাম বাধন। দপ্তর সম্পাদক তানবির আহমেদ। অন্যান্য সম্পাদকীয় পদে রয়েছেন, উপ-দপ্তর সম্পাদক, প্রিয়ংকর রায় সৌরভ, প্রচার সম্পাদক শামীম মিয়া, উপ-প্রচার সম্পাদক সাগর হাসান, পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক, আতিয়া ফাইরুজ অনামিকা, উপ-পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক, রাইসুল ইসলাম রাকিব, সাংস্কৃতিক সম্পাদক আয়শা আখি, উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক সোহেল রানা, উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক কামরুজ্জামান নয়ন, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক নাদিরা নিশা, উপ- সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক আল-আমিন, ক্রীড়া সম্পাদক রনি হাসান, উপ-ক্রীড়া সম্পাদক কাওসার আহমেদ, ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক কামরুন্নাহার স্মৃতি, উপ-ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক ফাল্গুনি আক্তার, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সিয়াম সাজিদ স্বার্থিক, উপ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা হাবিব সাকিব, এছাড়াও সাধারণ সদস্য হিসেবে রয়েছেন উপজেলা সমিতির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। এর আগে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ এবং ২০১৬-১৭ সেশনের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আ.ন.ম রাকিবুল ইউসুফ প্রমুখ।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি
নিজস্ব পদ্ধতিতে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশে কঠোর হুশিয়ারি জবির

ছবি সংগৃহিত

Image
সমন্বিত গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে পূর্বের ন্যায় নিজস্ব পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নিদিষ্ট সময় বেঁধে দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। এ কার্যক্রম যদি আগামী ২ এপ্রিলের মধ্যে শুরু না করা হয় তাহলে কঠোর আন্দোলনের ডাক দিবেন বলেও জানিয়েছেন শিক্ষক নেতারা। বুধবার (২৯ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে শিক্ষক সমিতির সাধারন সভায় তিন শতাধিক শিক্ষকদের উপস্তিতিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভা শেষে শিক্ষক নেতারা বলেন, গত ১৫ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকডেমিক কাউন্সিলে গুচ্ছ থেকে বেরিয়ে নিজস্ব পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহনের যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় তার কোন অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। এদিকে দ্রুত ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা না গেলে সেশন জটের একটা শঙ্কা লক্ষ্য করছেন তারা। তাই দ্রুত সময়ে সিন্ডিকেট আহ্বান করে অ্যাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তকে বহাল রেখে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ করছি। এদিকে অ্যাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তের পরও যদি গুচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থাকে তাহলে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৫ সালের আইন এর সাথে সাংঘর্ষিক হবে বলে মনে করেন জ্যেষ্ঠ অধ্যাপকরা। তাদের মতে অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্তকে যদি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গুচ্ছে থেকে যায় তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনকে সংশোধন করতে হবে। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক এ কে এম ড.লুৎফর রহমান বলেন, আজকে শিক্ষক সমিতির সাধারন সভায় সকল শিক্ষকদের দাবি ছিলো অ্যাডেমিক কাউন্সিলে যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে দ্রুত বাস্তবায়ন করা। আর নিজস্ব পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা না হলে আগামী মাসের ২ তারিখের পর সকল শিক্ষকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিভিন্ন কর্মসূচির ডাক দেয়া হবে। যদি ২ এপ্রিলের মধ্যে নিজস্ব পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি ও ভর্তি কার্যক্রম প্রকাশ না করে তাহলে ৩ এপ্রিল আমরা মানববন্ধনের ডাক দিয়েছি। ওই মানববন্ধন থেকেই পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। শিক্ষক সমিতির এসব দাবির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক বলেন, শিক্ষকরা দাবি নিয়ে আমার কাছে আসছিলো। আমি তাদেরকে লিখিতভাবে জানাতে বলেছি। বিষয়টি একটা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। হুট করে আমি নিজস্ব কোন সিদ্ধান্ত দিতে পারি না। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এই সিন্ডিকেট সভা আয়োজন করতেও অন্ততপক্ষে পাঁচদিন সময় দরকার। তবে তারা যদি আন্দোলন করতে চাই তাহলে করুক। আন্দোলন করলে তো আমি তাদেরকে বাঁধা দিতে পারব না। উল্লেখ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ২০০৫ অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা গ্রহনের ক্ষেত্রে একাডেমিক কাউন্সিল সর্বচ্চ কর্তৃপক্ষ। এ আইনের ৪০ নং ধারায় "বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও অন্যান্য পাঠ্যক্রমে ছাত্রভর্তি একাডেমিক কাউন্সিল কর্তৃত এতদুদ্দেশ্যে নিজস্ব ভর্তি কমিটি কর্তৃক প্রণীত বিধি দ্বারা প্ররিচালিত হবে। "
জবি গুচ্ছ পদ্ধতি ভর্তি বিশ্ববিদ্যালয়
সাংবাদিক শামসুজ্জামানের মুক্তির দাবিতে রাবিতে মানববন্ধন

রাবি: সাংবাদিক শামসুজ্জামানের মুক্তির দাবিতে রাবিতে মানববন্ধন করা হয়।-ছবি মুক্তস প্রভাত

Image
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল, সাংবাদিক শামসুজ্জামানের নি:শর্ত মুক্তি এবং সম্পাদক মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) কর্মরত সাংবাদিকরা। বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এই মানববন্ধন করে তারা। মানববন্ধনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহিনুর খালিদ বলেন, ওয়ারেন্ট ছাড়া একজনকে গ্রেফতার, হয়রানি এবং তার কক্ষে নিয়ম বহির্ভূতভাবে জোরপূর্বক তল্লাশি এবং সম্পদ জব্দ করা সম্পূর্ণভাবে আইনশৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকান্ড। সাংবাদিক হিসেবে তো অবশ্যই, বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে সাংবাদিক শামসুজ্জামান তার মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। সাংবাদিক শামসুজ্জামানের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি চাই। একইসঙ্গে প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে করা মামলার প্রত্যাহার চাই। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনেরও বিলুপ্তির দাবি জানাচ্ছি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি তৌসিফ কাইয়ূম বলেন, উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, দেশে প্রতিনিয়ত সাংবাদিকদের লাঞ্ছিত, হুমকি, মারধরসহ নির্যাতনের ঘটনা বেড়েই চলেছে। এসব ঘটনার কোনো দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয় না। সর্বশেষ সংবাদ প্রকাশের জেরে প্রথম আলোর সাংবাদিক শামসুজ্জামানকে ভোররাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়। তুলে নিয়ে যাওয়ার বিশ ঘন্টারও বেশি সময় পরে তাট বিরুদ্ধে রমনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দেখানো হয়। এঘটনা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে বাধা এবং স্বাধীন গণমাধ্যম ও মুক্ত সাংবাদিকতার পরিপন্থী বলে আমি মনে করি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কামরুল হাসান অভি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের সাংবিধানিক অধিকার বাকস্বাধীনতাকে চূড়ান্তভাবে হরণ করছে। সরকারের এমন কর্মকাণ্ডের ফলে সাংবাদিকতার মতো পেশাও আজ হুমকির মুখে। একজন সাংবাদিকের সঙ্গে এধরনের আচরণ অত্যন্ত ন্যক্কারজনক, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পাশাপাশি এ ধরনের আচরণ স্বাধীন সাংবাদিকতা তথা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও পেশাগত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে বিরাট প্রতিবন্ধকতা। অবিলম্বে সাংবাদিক শামসুজ্জামানের মুক্তি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। রাবিসাসের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সবুর লোটাসের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে আরও বক্তব্য প্রদান করেন রাবি রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আসিফ আহমেদ দিগন্ত এবং রাবি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল ইসলাম তুহিন। এসময় রাবি ক্যাম্পাসে কর্মরত অর্শতাধিক সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, গত বুধবার ভোর চারটার দিকে সিআইডি পরিচয় তুলে নিয়ে যাওয়া হয় প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক শামসুজ্জামান শামসকে। কোন কারণ বা ওয়ারেন্ট না দেখিয়েই তুলে নেওয়া তাকে। তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি তার কক্ষে তল্লাশি চালানো হয় এবং তার ল্যাপটপসহ কয়েকটি ডিভাইস কোন কারণ না দেখিয়েই জব্দ করা হয়। তুলে নিয়ে যাওয়ার বিশ ঘন্টারও বেশি সময় পরে এই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে রমনা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দেখানো হয়। এর আগে, গতকাল বুধবার সাংবাদিক শামসুজ্জামানকে সিআইডি পরিচয়ে তুলে নেওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি প্রদান করেছিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত তিন সাংবাদিক সংগঠন।
দাবি সাংবাদিক বিশ্ববিদ্যালয়
যবিপ্রবি শিক্ষার্থীকে হলে আটকে রেখে মারধর ও ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি

আটকে রেখে মারধর

Image
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) এক অনাবাসিক শিক্ষার্থীকে হলে চার ঘণ্টা আটকে রেখে মারধর ও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে। রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মসিয়ূর রহমান হলের ৫২৮ নম্বর কক্ষে আটকে ওই শিক্ষার্থীকে রড, জি.আই পাইপ ও বেল্ট দিয়ে মারধর করে একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। রাতে তাকে উদ্ধার করে যশোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ‘সিলগালা’ করা হয়েছে মশিয়ূর রহমান হলের ৫২৮ নম্বর কক্ষটি। নির্যাতনের শিকার শিক্ষার্থীর নাম ইসমাইল হোসেন। তিনি নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড টেকনোলজি (এনএফটি) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। থাকেন বাইরের মেসে। গ্রামের বড়ি ময়মনসিংহের বলাসপুরে। ইসমাইল হোসেন জানান, রোববার দুপুরে জোহরের নামাজ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদ থেকে বের হলে শহীদ মসিয়ূর রহমান হলের আবাসিক শিক্ষার্থী সালমান তাকে হলের ৫২৮ নম্বর কক্ষে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে শোয়েব ও সালমানসহ কয়েকজন ইসমাইলকে চড়-থাপ্পড়, বেল্ট, জিআই পাইপ ও স্টাম্প দিয়ে মারধর করে। পরে ইসমাইলের বন্ধুরা জানতে পেরে রাতে তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। তিনি আরও জানান, তার ওপর হামলাকারীরা সিএসই বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। নির্যাতনকারীরা তার বিরুদ্ধে ভর্তি সিন্ডিকেট পরিচালনার অভিযোগ তুলে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তবে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী সালমান ও শোয়েব জানান, মারপিট ও চাঁদা দাবির অভিযোগ সত্য নয়। রোববার ২০১৮-২০১৯ সেশনের ইফতার মাহফিল ছিল। এ নিয়ে আমরা রুমে কথা বলছিলাম। এসময় আইপিই বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মারুফ, রনি ও নোমান রুমে ঢুকে আমাদের হুমকি দেয়। আইপিই বিভাগের শিক্ষার্থী মারুফ হাসান সুকর্ণ জানান, মোবাইল ফোনে ইসমাইলকে মারপিটের খবর পেয়ে তারা তাকে উদ্ধারের জন্য হলে যান। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এদিকে খবর পেয়ে উপাচার্যসহ প্রভোস্ট কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় তাদের উপস্থিতিতে কক্ষটি সিলগালা করা হয়। ছাত্র হলের প্রভোস্ট ড. আশরাফুজ্জামান জাহিদ বলেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর নিয়মানুযায়ী হল থেকে ব্যবস্থা নেব। যবিপ্রবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, শহীদ মশিউর রহমান হলে শিক্ষার্থীকে আটকে নির্যাতনের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত আবাসিক শিক্ষার্থীকে হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হবে। এদিকে, ইসমাইলের ওপর হামলার প্রতিবাদে রোববার রাতেই ক্যাম্পাসে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন এনএফটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থী বিশ্ববি টাকা মুক্তিপণ মারধর
মিথ্যা সংবাদ প্রচারের অভিযোগে জবি ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

জবি ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

Image
জাকির নামে কাল্পনিক শিশুর উপস্থাপনে মহান স্বাধীনতা কে কটাক্ষ করে দৈনিক প্রথম আলোর মিথ্যাচার এবং ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। রবিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেন তারা। এ সময় সাংবাদিকতার নামে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজি বলেন, ২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে আমাদের স্বাধীনতাকে হেয় করার জন্য প্রথম আলোর সাংবাদিক শামসুজ্জোহা একটি শিশুকে ১০ টাকার বিনিময়ে একটা ছবি তুলে মিথ্যা সংবাদ ছাপিয়ে সারাবিশ্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে হেয় করেছে। আমরা ছাত্রসমাজ এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমরা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ প্রথম আলোর ওই সাংবাদিকের ন্যায্য বিচার দাবি করছি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসেন বলেন, দেশের স্বাধীনতাকে হেয় প্রতিপন্ন করে বাঙালি জাতির আবেগ-অনুভূতিতে আঘাত দিয়েছে প্রথম আলো। গ্রেফতারকৃত ওই সাংবাদিককে অবিলম্বে বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। দেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যহত করার দেশি বিদেশি সব ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
সমাবেশ দৈনিক প্রথম আলো ষড়যন্ত্রও ছাত্রলীগ
রাবির নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উন্মুক্ত আলোচনা ও ইফতার

আলোচনা ও ইফতার

Image
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগে ইফতার মাহফিল ও শিক্ষার্থী-শিক্ষক' উন্মুক্ত আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে। রোববার তিনটায় বিভাগের গ্যালারি কক্ষে এই আলোচনা শুরু হয়। এসময় বিভাগের পঠনপাঠন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সম্পর্ক এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উন্মুক্ত আলোচনা করেন বিভাগের শিক্ষকরা। উন্মুক্ত আলোচনায় বিভাগের অধ্যাপক মোস্তোফা কামাল আকন্দ বলেন, ছাত্র-শিক্ষক উন্মুক্ত আলোচনার বিষয়টি একটি চমৎকার উদ্যোগ। বিভাগের একজন শিক্ষক হিসেবে আমি চাই এটা প্রতি মাসে অন্তত একবার এই ধরণের আলোচনা হোক। শিক্ষক শিক্ষার্থীদের বোঝাপড়ার জায়গা ঠিক রাখতে কথা বলাটা জরুরি। শিক্ষার্থীদের জন্য আমার চেম্বার শিক্ষার্থীদের জন্য সব সময় খোলা। তারা যেকোন সময় পড়াশোনা ও সার্বিক বিষয়ে আমার সঙ্গে আলোচনা করতে পারবে। বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক কামাল পাশা বলেন, আমরা দীর্ঘ আলোচনায় শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে অনেক পরামর্শ পেয়েছি। আমরা সেগুলো সংরক্ষণ করেছি। আমরা চেষ্টা করবো বিভাগের সকল শিক্ষকদের নিয়ে বিষয়গুলো সমাধান করার। তিনি বলেন, এর আগে শিক্ষার্থীদের দাবি ও অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা কিছু ক্লাব গঠন করেছি। ইতোমধ্যে বিভাগে ইংলিশ ক্লাব, কালচারাল ক্লাব, কম্পিউটার ক্লাব, ডিবেটিং ক্লাব, পাবলিক স্পিকিং ক্লাবের কর্মকাণ্ড চলমান। এসময় তিনি শিক্ষার্থীদের চাওয়া-পাওয়ার বিষয়গুলো সকল শিক্ষকের সমন্বয়ে সমাধান করার আশা ব্যক্ত করেন। বিভাগের ২০ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান শাওনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন, অধ্যাপক আদিল হাসান চৌধুরী, সহযোগী অধ্যাপক আলতাফ হোসেন, অভিজিৎ রায়, তাহমিনা নাজনীন, মুস্তাফিজুর রহমান, প্রভাষক রাদিয়া আউয়াল তৃৃষা। এসময় উপস্থিত ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক লিটন হোসেন প্রমুখ#
বিশ্ববিদ্যালয় আলোচনা সভা মাহফিল ইফতার
শারীরিক নির্যাতনের ঘটনায়;  যবিপ্রবির দুই ছাত্র সাময়িক বহিষ্কার

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

Image
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি (এনএফটি) বিভাগের শিক্ষার্থী মো. ইসমাইল হোসেনকে ‘শারীরিকভাবে নির্যাতন ও হলে শৃঙ্খলা ভঙ্গের’ দায়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ শোয়েব আলী ও সালমান এম রহমানকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একইসাথে তাদের বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। আজ সোমবার বিকেলে যবিপ্রবির রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মোঃ আহসান হাবীবের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে দুপুরে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন এনএফটি বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ ইসমাইল হোসেন। ঘটনার ভয়াবহতা বিবেচনায় যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন ইতিমধ্যে শহীদ মসিয়ূর রহমানের হলের প্রভোস্টকে অভিযুক্ত দুই শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের এবং আক্রান্ত শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। শহীদ মসিয়ূর রহমান হল কর্তৃপক্ষও সহকারী প্রভোস্ট তরুন সেনকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করেছে। একইসাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বডিকে একটি তদন্ত কমিটি করে আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল রোববার রাতেই শহীদ মসিয়ূর রহমান হল কর্তৃপক্ষ মোঃ ইসমাইল হোসেনকে শারীরিকভাবে নির্যাতন ও হলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল (সিএসই) বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ শোয়েব আলী ও সালমান এম রহমানকে হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করে। এদিকে গতকাল রোববার রাতে ঘটনার শোনার সঙ্গে সঙ্গে যবিপ্রবির হল প্রশাসন আক্রান্ত শিক্ষার্থীকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সহায়তায় উদ্ধারের পর যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করে। মধ্যরাতে যবিপ্রবি উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, প্রভোস্ট, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক সমিতির নেতৃবৃন্দকে নিয়ে আক্রান্ত শিক্ষার্থীর শারীরিক খোঁজ-খবর নেওয়ার জন্য হাসপাতালে ছুটে যান। বর্তমানে মো. ইসমাইল হোসেনের শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে।
সাময়িক বহিষ্কার যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ববিদ্যালয়
উপচার্যের কক্ষে শিক্ষকদের অবস্থান

উপচার্যের কক্ষে শিক্ষকদের অবস্থান

Image
সমন্বিত গুচ্ছ পদ্ধতিতে থেকে বেড়িয়ে নিজস্ব পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। মানববন্ধন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কক্ষে নিজস্ব পদ্ধতিতে ভর্তি নেওয়ার জন্য অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন ও ভর্তি পরীক্ষায় জন্য একটি কমিটি করার আহ্বান জানিয়ে অবস্থান নেন শিক্ষকরা। সোমবার (৩ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে চার শতাধিক শিক্ষকদের অংশগ্রহনে এ মানববন্ধন শেষে উপাচার্যের কক্ষে অবস্থান নেয় মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করা শিক্ষকরা। মানববন্ধনে শিক্ষক নেতারা বলেন, গুচ্ছ এমন একটি প্রক্রিয়া যা কোন গবেষণা ছাড়াই আমাদের উপর চাপিয়ে দিয়েছে। এ চাপিয়ে দেওয়ার কারো নেই। আর সবচেয়ে লজ্জার বিষয় হলো গত ১৫ মার্চ একাডেমিক কাউন্সিলের নিজস্ব পদ্ধতিতে যে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয় সে সিদ্ধান্তগুলো কার্য বিবরনে বিকৃত ভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় বিষয় হচ্ছে গুচ্ছে অংশগ্রহণের ফলে আমাদের যে সেশনজট তৈরি হয়েছে তা আসলেই দুঃখজনক। মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড.জাকারিয়া মিয়া বলেন, আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের যে আইন আছে সে অনুযায়ীই ভর্তি পরীক্ষা নিতে চাই। একাডেমিক কাউন্সিলে সে সিদ্ধান্ত হয়েছে তা বাস্তবায়নে করতে প্রশাসনের কেন এত অনীহা। অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে যদি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় এবারও গুচ্ছে যায় তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অমান্যের জন্য উচ্চ আদালতে যাওয়ার প্রয়োজন হয় তাহলে সেখানেই যাবে যাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমাজ। মানববন্ধন পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাক্ষাৎ শেষে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম বলেন, মাননীয় উপাচার্য আমাদের আজকের দাবিগুলো মেনে নিয়ে আবারো ৫/৬ তারিখে বিশেষ একাডেমিক সভার আহ্বান করেছেন। ওই একাডেমির সভায় নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার জন্য একটি কেন্দ্রীয় কমিটি ও ইউনিট ভিত্তিক কমিটি গঠন করে আগামী ৮ এপ্রিল সিন্ডিকেট সভায় সেগুলো উন্থাপন করা হবে। আর গত অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত গুলো বিকৃতভাবে লিপিবদ্ধ করা হয় সেটাও আমাদের উপস্থিতিতেই সংশোধন করে দেন উপাচার্য। সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হক বলেন, আগামী ৮ তারিখ সিন্ডিকেটের আহ্বান করা হয়েছে। ওই সিন্ডিকেট সভায় সকল বিষয়ে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
শিক্ষার্থী দাবি উপাচার্য জবি পদ্ধতি গুচ্ছ
সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একক ভর্তি পরীক্ষা আগামী বছর থেকে

সব বিশ্ববিদ্যালয়ে একক ভর্তি পরীক্ষা আগামী বছর থেকে

Image
একক ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী বছর থেকে এমন তথ্য জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মন্ত্রী বলেন, ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের জন্য ন্যাশনাল টেস্টিং অথোরিটি (এনটিএ) গঠন করা হবে। বিস্তারিত আসছে....
শিক্ষামন্ত্রী পরীক্ষা ভর্তি বিশ্ববিদ্যালয়
যশোরের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের গৌরব ধরে রাখতে হবে

ইফতার ও আলোচনা সভা

Image
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় যশোর জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদের ইফতার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, যশোরের মুক্তিযুদ্ধ ও ইতিহাসের গৌরব রয়েছে। এটি ধরে রাখতে হবে। বঙ্গবন্ধু কন্যার হাত ধরে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী নির্বাচনে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে ছাত্রদের কাজ করতে হবে। এদিকে এ অনুষ্ঠানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দিন আহমদ, প্রধান অতিথি যশোর জেলা আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক বিপুল ফরাজী, প্রধান আলোচক হিসেবে সাবেক প্রক্টর অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ, বর্তমান প্রক্টর ড. মোস্তফা কামাল, বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছাত্রী হলের প্রভোস্ট ড. দিপীকা রানী, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম ফরাজি ও সাধারণ সম্পাদক এস এম আক্তার হোসাইন ও বিশেষ অতিথি হিসেবে সহকারী প্রকৌশলী গৌতম কুমার শিকদার বক্তব্য বক্তব্য রাখেন। যশোর জেলা আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক বিপুল ফরাজী বলেন, যশোরের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শিক্ষার্থীরা ঢাকায় পড়তে আসে। নাড়ির টানেই আমরা এখানে এক হয়েছি। আমাদের বেশি বেশি কাজ করতে হবে। বঙ্গবন্ধু কন্যার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। মেধার মাধ্যমে নিজেদের যোগ্যতার পরিচয় দিতে হবে। এজন্য আমাদের সকলকে একতাবদ্ধ হতে হবে। এসময় জবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন বলেন, রাজনীতি ও মেধার দিক দিয়ে যশোরের শিক্ষার্থীরা এগিয়ে যাচ্ছে। প্রাচীন এই জেলাটির সঙ্গে আমার আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে। আগামী দিনে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শিক্ষার্থীরা এগিয়ে যাবে এ প্রত্যাশা করি। এসময় যশোর জেলা কল্যাণের সভাপতি সাকিবুল হাসানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রকি আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়টির ছাত্রলীগের সাবেক সাংস্কৃতিক সম্পাদক মৃত্যুঞ্জয় দাস জয়, সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আনিচুর রহমান ও মোঃ শাহরিয়ার সুলতান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যশোর ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা নেতৃবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
যশোর আলোচনা সভা ইফতার
যবিপ্রবির ৮০০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদানের সিদ্ধান্ত

ত্তি প্রদানের সিদ্ধান্ত

Image
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) বিভিন্ন বিভাগের ৬০০ জন শিক্ষার্থীকে ‘অভ্যন্তরীণ বৃত্তি’ এবং প্রথমবারের মতো শিক্ষার্থী কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে আরও ২০০ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে যবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে বৃত্তি প্রদান সংক্রান্ত আলাদা দুটি কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন যবিপ্রবির উপাচার্য ও একুশে পদকপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২০২৩ অর্থ বছরের অভ্যন্তরীণ বৃত্তির খাত থেকে বিভিন্ন বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের মোট ৬০০ জন শিক্ষার্থীকে চার হাজার টাকা করে এবং প্রথমবারের মতো শিক্ষার্থী কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে বিভিন্ন বিভাগের বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের মোট ২০০ জন শিক্ষার্থীকে তিন হাজার টাকা করে বৃত্তি প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এতে মোট ৮০০ জন শিক্ষার্থী এককালীন বৃত্তি পাবেন। বৃত্তি প্রদান সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি খুব দ্রুতই প্রকাশ করা হবে। বিজ্ঞপ্তিতে ‘অভ্যন্তরীণ বৃত্তি’ ও ‘শিক্ষার্থী কল্যাণ ট্রাস্ট বৃত্তি’ পাওয়ার শর্তসমূহ বিস্তারিতভাবে উল্লেখ থাকবে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ফরমে স্ব স্ব বিভাগে আবেদন করার জন্য বলা হয়েছে। বৃত্তি সংক্রান্ত কমিটির দুটি সভায় যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ আব্দুল মজিদ, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন ড. প্রকৌশলী ইমরান খান, জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদ, ফলিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাইবুর রহমান মোল্যা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মো. তানভীর ইসলাম, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মো. হাফিজ উদ্দিন, কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, একাডেমিক কাউন্সিল কর্তৃক মনোনীত প্রতিনিধি অধ্যাপক ড. মো. আনিছুর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. হাসান মো. আল-ইমরান, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা) প্রফেসর ড. মো. আলম হোসেন, পরিচালক (হিসাব) মো. জাকির হোসেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মোহা. আমিনুল হক, রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. আহসান হাবীব, উপ-রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ এমদাদুল হক, সহকারী রেজিস্ট্রার নিত্যনন্দ পাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রাপ্ত কমিটি বৃত্তি
প্রথম আলোর নিবন্ধন বাতিলের দাবীতে মানববন্ধন জবি  শিক্ষার্থীদের

মানববন্ধন জবি শিক্ষার্থীদের

Image
মহান স্বাধীনতা দিবসের কটুক্তি, হলুদ সাংবাদিকতা ও শিশু অপব‍্যবহারের অপরাধের দাবী নিয়ে মানববন্ধন করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন শিক্ষার্থী। মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচিতে প্রথম আলো পত্রিকার নিবন্ধন বাতিল ও মতিউর রহমানকে গ্রেফতার করার দাবী জানায় সচেতন শিক্ষার্থীরা। সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ ব‍্যাচের শিক্ষার্থী মিনুন মাহফুজ বলেন , যারা দেশের মানহানি করে সংবাদ পত্রের সঠিক ব‍্যবহার করতে জানে না তারা সাংবাদিকের মূল‍্যই বুঝে না। দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো সাংবাদিকতা। হলুদ সাংবাদিকতা করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করছে একদল সাংবাদিক। আমরা সচেতন শিক্ষার্থী ও নাগরিক হিসেবে এর দ্রুত বিচারের দাবী জানাই সাথে সাথে প্রথম আলো পত্রিকার নিবন্ধন বাতিল ও মতিউর রহমানকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৪ ব‍্যাচের শিক্ষার্থী তামান্না আক্তার তন্মি বলেন, যারা সমাজের দর্পন,তারাই জাতিকে অস্থিতিশীল করো দিচ্ছে,সামান্য পরিচিতি অর্জনের জন্য, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার জন্য তারা স্বাধীনতাকে কটুক্তি করতেও দ্বিধাবোধ করে না।স্বাধীনতা যুদ্ধে ছাত্রসমাজ যেভাবে আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তুলেছিলো, কেউ যদি স্বাধীনতাকে খর্ব করতে চায় আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা দুর্বার আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তুলবো। তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী কোনো অপশক্তিকে এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে দিবো না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে প্রথম আলোর সাংবাদিক শামসুজ্জামান শামস এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। ভবিষ্যতে যেন স্বাধীনতা বিরোধী কর্মকাণ্ড বা কটাক্ষ করার স্পর্ধা না করে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক সিনিয়র শিক্ষার্থী বক্তব্য দেন। প্রায় শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিতিতে মানববন্ধনটি সমাপ্ত হয়।