Login





Register

muktoprovat
English Edition
Image

ভবিষ্যতের শুরু এখানেই। কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তাই (আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স – এআই) বর্তমানের নতুন বাস্তবতা। আজকের দিনে বিগ ডেটা, মেশিন লার্নিং, রোবোটিকস ও আইওটির (ইন্টারনেট অব থিংস) মতো বিকাশমান প্রযুক্তিগুলোর মূল নিয়ন্ত্রণকারী হিসেবে এআই মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।

চ্যাটজিপিটি, এআই আর্ট ও মিউজিক জেনারেটর, অটোমেডেট কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস এবং আরও নানান কিছুর মধ্য দিয়ে প্রায় সবগুলো খাতে মানুষের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ভূমিকা করছে এআই প্রযুক্তি।

এআইয়ের প্রতি নির্ভরশীলতা মূলধারাকে এতো বেশি আকর্ষণ করেছে যে, একথা খুব সহজেই বলা যায় অদূর ভবিষ্যতে এআই প্রযুক্তিগত উদ্ভাবক হিসেবে ভূমিকা পালনে সক্ষমতা অর্জন করবে।

বর্তমানে যা ঘটছে তার বেশিরভাগই এআই ও মেশিন লার্নিংয়ের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা বা টেলিযোগাযোগ খাত যাই হোক না কেন এআই ও মেশিন লার্নিংয়ের উপস্থিতি যেন সর্বত্র।

এখনকার বিশ্বে এআই কোথায় এগিয়ে গেছে তা সিরি ও অ্যালেক্সার মতো ভয়েস অ্যাসিসটেন্টের সহজাত ভাষা প্রক্রিয়াজাত করার সক্ষমতা আর নেটফ্লিক্স ও স্পটিফাইয়ের ব্যক্তিনির্ভর পছন্দ বাছাই করে দেয়ার মধ্য দিয়েই বোঝা যায়। বিভিন্ন খাতে অবিশ্বাস্য গতিতে ভূমিকা রাখার পর কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস খাতে খুব সুস্থিরভাবে প্রবেশ করছে এআই।

মানুষের সর্বাধুনিক কার্যকলাপকে অনুকরণ করার সক্ষমতা অর্জনের মধ্য দিয়ে কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস খাতেও নিজের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে এআই।

বর্তমানে কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস পণ্য নির্মাতারা এআই সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে উদ্ভাবনী পণ্য ও সমাধান তৈরি করছে, যা এই সময়ের ভোক্তাদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে সক্ষম।

ব্র্যান্ডগুলো এখন খুব সহজেই তাদের ক্রেতাদের চাহিদা সম্পর্কে জানতে পারছে আর ইনটেলিজেন্ট পণ্য, সেবা ও সমাধান নিয়ে আসার ক্ষেত্রে সে তথ্য কাজে লাগাতে পারছে।

এক্ষেত্রে, স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্সের কথা বলা যায়, যেখানে এআই মানুষের দক্ষতাকে অনুকরণ করতে সক্ষম আর মেশিন লার্নিং মানুষের সাথে যোগাযোগের ওপর ভিত্তি করে শিক্ষণ ও প্রশিক্ষণ গ্রহণে সক্ষম।

ডেভেলপাররা ইনটেলিজেন্ট ও ব্যক্তি-নির্দিষ্ট স্পেসিফিকেশন সহ হোম ইলেকট্রনিকস নিয়ে আসার ক্ষেত্রে এআই, মেশিন লার্নিং ও আইওটি ব্যবহার করছে।

বাজারে ইতোমধ্যে এমন রেফ্রিজারেটর চলে এসেছে যার মোড কনভার্সন , বিদ্যুৎ ব্যবহার  ইত্যাদি মনিটর ও কন্ট্রোল মোবাইল দিয়ে স্মার্ট থিংস অ্যাপ এর মাধ্যমে  নিয়ন্ত্রণ করা যায়। একই ভাবে, ওয়াশিং মেশিনের ক্ষেত্রে কাপড়ের পরিমাণ ও ধরণের ওপর নির্ভর করে ডিটারজেন্টের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করবে মেশিন লার্নিং।  

কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকসের ক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করবে এআই-সমর্থিত হোম অ্যাপ্লায়েন্স। যেমন বলা যায়, একটি স্মার্ট ভ্যাকুয়াম ক্লিনার রুমের লেআউট ম্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করে নিতে পারবে ও যেকোনো জায়গা থেকে এর কাজ শুরু করতে পারবে।

স্যামসাংয়ের মতো শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলো ইতোমধ্যে অনেক বেশি কার্যকর, ইনটেলিজেন্ট ও পারসোনালাইজড ওয়াশিং মেশিন, রেফ্রিজারেটর, টিভি ও এয়ার কন্ডিশনার নিয়ে আসতে শুরু করেছে। এআইয়ের বিকাশের সাথে সাথে ব্র্যান্ডগুলো আরও বেশি স্মার্ট, কার্যকর ও স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক হোম অ্যাপ্লায়েন্স নিয়ে আসতে সক্ষম হবে।

এ সকল ডিভাইস মানুষের জন্য একটি সামগ্রিক, টেকসই ও আরামদায়ক ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে।  

প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে, আর মানুষের জীবন এই যুগান্তকারী পরিবর্তনের ঠিক সন্ধিক্ষণে রয়েছে। ক্রেতাদের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করা ও উৎপাদন প্রক্রিয়া সহজ করা থেকে শুরু করে ডেটা অ্যানালিটিকসের আধুনিকায়ন, সবক্ষেত্রেই কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস ল্যান্ডস্কেপের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে এআই।

সকল খাতের ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধিতে এআই আর নতুন প্রযুক্তি কীভাবে কাজ করে তাই এখন দেখার বিষয়।

 

———

লাইফস্টাইল থেকে আরো পড়ুন

গরমে ত্বকের যত্ন

-ছবি সংগৃহিত

রোজায় যেভাবে নেবেন ত্বকের যত্স

-ছবি সংগৃহিত

যেভাবে সহজে ইংরেজি শিখবেন

যেভাবে সহজে ইংরেজি শিখবেন

Image
বিশ্বজুড়ে এখন ইংরেজির চরম কদর। দেশের বিদ্যালয়গুলোতেও ইংরেজির ওপর ব্যপক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তবে অনেকেই আছেন যারা ইংরেজিকে ভয় পান। তাদের জন্য সহজে ৭ টি উপায়ে ইংরেজি শিক্ষা রয়েছে।
বর্ষায় কাপড় পরিচ্ছন্ন রাখার উপায়

-ছবি লেখকক

Image

বর্ষাকাল কেবল একটি ঋতু নয়, বরং তার চেয়েও বেশি কিছু। আমাদের দেশের মানুষ ও পরিবেশের ওপর এই ঋতুর গুরূত্ব অপরিসীম। এটি আমাদের সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও প্রাকৃতিক বাস্তুসংস্থানেরও গুরূত্বপূর্ণ অংশ। বৃষ্টিতে ধোঁয়া ওঠা চায়ের কাপ হাতে নিয়ে জানালার পাশে বসে বৃষ্টি দেখা অনেকের কাছে আনন্দদায়ক মনে হতে পারে।

তবে, এই ভরা বর্ষায় বিশেষ করে ঢাকায় প্রতিদিন যাদের বাসার বাইরে যেতে হয়, তাদের জন্য বিষয়টি মোটেই সুখকর নয়। কাদা আর স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশে চলাফেরা করতে হয় তাদের। ভারি বর্ষণে একদম কাকভেজা হয়ে যাওয়া মোটেই অস্বাভাবিক নয়, তবে এ সময় সবচেয়ে বেশি মুশকিলে পড়তে হয় ভিজে যাওয়া জামাকাপড় নিয়ে। বর্ষার সময়ে কাপড়ে কাদা, নোংরা আর জীবাণুর পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে, জামাকাপড় ঠিক মতো না ধোয়া হলে, এই কাদা-নোংরার কণা দীর্ঘসময় সেখানে রয়ে যেতে পারে। 

বর্ষায় কীভাবে কাপড়চোপড় পরিচ্ছন্ন রাখবো, চলুন তাহলে আজ তা জেনে নিই!

দ্রুত কাপড় ভিজিয়ে ধুয়ে ফেলুন 

বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার পর বাসায় আসার সাথে সাথেই যথাশীঘ্রই সম্ভব জামাকাপড় ধুয়ে ফেলতে হবে। এতে করে পোশাকে থাকা নোংরা ধুলিকণা বা দুর্গন্ধ ছাড়াও সকল কাদা-জীবাণু এক নিমিষেই পরিচ্ছন্ন হয়ে যাবে। তবে, কার্যকরী উপায়ে কাপড় ধুতে হলে ময়লা জামা অন্তত ৩০ মিনিটের জন্য ভিজিয়ে রাখা উচিত। এতে করে কাপড়ের সাথে থাকা যেকোনো দাগ-নোংরা খুব সহজেই উঠে যায়, একদম গভীর থেকে পরিচ্ছন্ন হয় পোশাক। আধুনিক কিছু ওয়াশিং মেশিনে বাবল সোক নামের এক ধরণের ফিচার পাওয়া যায় ,যা কাপড়গুলোকে সাবানের বাবলে ভিজিয়ে নেয় ,তাই ময়লা আর দাগ ভালোভাবে পরিষ্কার হয়। বর্ষায় অনেক বেশি কাপড়চোপড় ধোয়া লাগে; সেক্ষেত্রে পরামর্শ দেয়া হয়, ভালো কোনো ওয়াশিং মেশিন ব্যবহার করলে জামাকাপড় পরিচ্ছন্নতার এই কাজটি অনেক সহজ হয়ে যায়। 

সঠিক পরিমাণে ডিটারজেন্ট ব্যবহার

জামাকাপড় পরিচ্ছন্ন রাখার ক্ষেত্রে খুব সাধারণ একটি টোটকা হচ্ছে- সঠিক পরিমাণে ডিটারজেন্ট ব্যবহার করা। এটি এমন একটি প্রয়োজনীয় গৃহস্থালি সামগ্রী যা পরিমাণের চেয়ে বেশি ব্যবহার করলে জামাকাপড় আঠালো ও আর্দ্র হয়ে যেতে পারে, আবার কম ব্যবহার করলে কাপড় ঠিকভাবে পরিষ্কার হবে না। প্রতিবার কাপড় ধোয়ার সময় পরিমাণমতো ডিটারজেন্ট ব্যবহার করা অনেকের কাছেই কঠিন মনে হতে পারে।

আর এই বিষয়টিকে সহজ করে তুলতে স্যামসাংয়ের মতো অনেক কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠান বাজারে অটোমেটিক ডিসপেন্সার ফিচারসহ ওয়াশিং মেশিন নিয়ে এসেছে। যেখানে কিছুদিন পরপর অটো ডিসপেন্সার ভরে দেয়া ছাড়া আর তেমন কোনো কাজ থাকে না। এই ওয়াশিং মেশিন প্রতিবার ধোয়ার সময় কাপড়ের পরিমাণ অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিটারজেন্ট ও ফ্যাব্রিক সফটনার নিয়ে নিবে। বর্ষাকালে অল্প পরিমাণ পানি ব্যবহার করেই ওয়াশিং মেশিনে ধোয়া যাবে, যেন কাপড় দ্রুত শুকিয়ে যায়। 
কাপড় ভালোভাবে শুকিয়ে নিন

বর্ষা মানেই যেন আর্দ্রতা। যখন বাতাসে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি আর্দ্রতা থাকে তখন জামাকাপড় পুরোপুরি শুকিয়ে নেয়াটা খুব জরুরি। আর তাই এ সময়ে এরকম ওয়াশিং মেশিন ব্যবহার করা প্রয়োজন যেখানে ওয়াশার-ড্রায়ার কম্বিনেশন ফিচার রয়েছে। এ ধরণের ফিচারে উষ্ণ বাতাস ব্যবহারের মাধ্যমে পোশাক দুর্গন্ধমুক্ত ও জীবাণুমুক্ত করা হয়। কাপড় ধোয়া আর শুকানো এখন এক অ্যাপ্লায়েন্সেই সম্ভব; এমনকি প্রযুক্তির মাধ্যমে কাপড়ের স্যাঁতস্যাঁতে ভাব দূর করা বা সারাদিন শুকনো ও পরিচ্ছন্ন জামা ব্যবহার করা সম্ভব। 
কুইক ওয়াশ ও আয়রন

বাজারের কিছু সর্বাধুনিক ওয়াশিং মেশিনে এমন সব ফিচার পাওয়া গেছে যা এই বর্ষা মৌসুমে কাপড় ধোয়াকে আরো সহজ করে দিবে। যেমন ১৫ মিনিট কুইক ওয়াশ যা পুরো ওয়াশিং সাইকেল ১৫ মিনিটে নিয়ে আসে। 

অনেক সময় কাপড় শুকাতে দিলে দুমড়ে মুচড়ে যায়। ইজি আয়রন ফাংশন থাকলে স্পিন ড্রাই এর সময় এবং স্পীড কমিয়ে আনা যায় ।এরপর সহজেই বাসায় কাপড় আয়রন করা যায়।
কাপড় ধোয়া হলে সাথে সাথে বের করে ফেলুন

কাপড় ধোয়ার ক্ষেত্রে খুব জরুরি একটি বিষয় আমাদের মনে রাখতে হবে। আর তা হচ্ছে কাপড় ধোয়া মাত্র তা যতদ্রুত সম্ভব ওয়াশিং মেশিন থেকে বের করে ফেলতে হবে। আপনার ওয়াশিং মেশিন যত ভালোই হোক না কেন বা কাপড় যত ভালোভাবেই ধোয়া হোক না কেন, ধোয়া শেষ হয়ে গেলে তা কোনোভাবেই ওয়াশিং মেশিনের ভেতর ফেলে রাখা যাবে না। 

বাংলাদেশের বর্ষাকাল মানেই যেন বৃষ্টিভেজা পরিবেশের সাথে নিত্যনতুন উপায়ে মানিয়ে নেয়া। বিশেষ করে বর্ষার এই সময়ে শুকনো ও পরিচ্ছন্ন পোশাক ব্যবহার করে আরামের খোঁজ করা যেন আরও বেড়ে যায় আমাদের। যাই হোক, এই বর্ষায় নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাপড় ধুতে হলে আধুনিক প্রযুক্তি-সম্পন্ন কোনো ওয়াশিং মেশিন কিনে নিন, আপনার নিত্যদিনের কাজ হবে আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক।

বাংলাদেশ বর্ষা কাপড়
Image

ভবিষ্যতের শুরু এখানেই। কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তাই (আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্স – এআই) বর্তমানের নতুন বাস্তবতা। আজকের দিনে বিগ ডেটা, মেশিন লার্নিং, রোবোটিকস ও আইওটির (ইন্টারনেট অব থিংস) মতো বিকাশমান প্রযুক্তিগুলোর মূল নিয়ন্ত্রণকারী হিসেবে এআই মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।

চ্যাটজিপিটি, এআই আর্ট ও মিউজিক জেনারেটর, অটোমেডেট কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস এবং আরও নানান কিছুর মধ্য দিয়ে প্রায় সবগুলো খাতে মানুষের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে ভূমিকা করছে এআই প্রযুক্তি।

এআইয়ের প্রতি নির্ভরশীলতা মূলধারাকে এতো বেশি আকর্ষণ করেছে যে, একথা খুব সহজেই বলা যায় অদূর ভবিষ্যতে এআই প্রযুক্তিগত উদ্ভাবক হিসেবে ভূমিকা পালনে সক্ষমতা অর্জন করবে।

বর্তমানে যা ঘটছে তার বেশিরভাগই এআই ও মেশিন লার্নিংয়ের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা বা টেলিযোগাযোগ খাত যাই হোক না কেন এআই ও মেশিন লার্নিংয়ের উপস্থিতি যেন সর্বত্র।

এখনকার বিশ্বে এআই কোথায় এগিয়ে গেছে তা সিরি ও অ্যালেক্সার মতো ভয়েস অ্যাসিসটেন্টের সহজাত ভাষা প্রক্রিয়াজাত করার সক্ষমতা আর নেটফ্লিক্স ও স্পটিফাইয়ের ব্যক্তিনির্ভর পছন্দ বাছাই করে দেয়ার মধ্য দিয়েই বোঝা যায়। বিভিন্ন খাতে অবিশ্বাস্য গতিতে ভূমিকা রাখার পর কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস খাতে খুব সুস্থিরভাবে প্রবেশ করছে এআই।

মানুষের সর্বাধুনিক কার্যকলাপকে অনুকরণ করার সক্ষমতা অর্জনের মধ্য দিয়ে কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস খাতেও নিজের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে এআই।

বর্তমানে কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস পণ্য নির্মাতারা এআই সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে উদ্ভাবনী পণ্য ও সমাধান তৈরি করছে, যা এই সময়ের ভোক্তাদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে সক্ষম।

ব্র্যান্ডগুলো এখন খুব সহজেই তাদের ক্রেতাদের চাহিদা সম্পর্কে জানতে পারছে আর ইনটেলিজেন্ট পণ্য, সেবা ও সমাধান নিয়ে আসার ক্ষেত্রে সে তথ্য কাজে লাগাতে পারছে।

এক্ষেত্রে, স্মার্ট হোম অ্যাপ্লায়েন্সের কথা বলা যায়, যেখানে এআই মানুষের দক্ষতাকে অনুকরণ করতে সক্ষম আর মেশিন লার্নিং মানুষের সাথে যোগাযোগের ওপর ভিত্তি করে শিক্ষণ ও প্রশিক্ষণ গ্রহণে সক্ষম।

ডেভেলপাররা ইনটেলিজেন্ট ও ব্যক্তি-নির্দিষ্ট স্পেসিফিকেশন সহ হোম ইলেকট্রনিকস নিয়ে আসার ক্ষেত্রে এআই, মেশিন লার্নিং ও আইওটি ব্যবহার করছে।

বাজারে ইতোমধ্যে এমন রেফ্রিজারেটর চলে এসেছে যার মোড কনভার্সন , বিদ্যুৎ ব্যবহার  ইত্যাদি মনিটর ও কন্ট্রোল মোবাইল দিয়ে স্মার্ট থিংস অ্যাপ এর মাধ্যমে  নিয়ন্ত্রণ করা যায়। একই ভাবে, ওয়াশিং মেশিনের ক্ষেত্রে কাপড়ের পরিমাণ ও ধরণের ওপর নির্ভর করে ডিটারজেন্টের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করবে মেশিন লার্নিং।  

কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকসের ক্ষেত্রে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করবে এআই-সমর্থিত হোম অ্যাপ্লায়েন্স। যেমন বলা যায়, একটি স্মার্ট ভ্যাকুয়াম ক্লিনার রুমের লেআউট ম্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরি করে নিতে পারবে ও যেকোনো জায়গা থেকে এর কাজ শুরু করতে পারবে।

স্যামসাংয়ের মতো শীর্ষস্থানীয় ব্র্যান্ডগুলো ইতোমধ্যে অনেক বেশি কার্যকর, ইনটেলিজেন্ট ও পারসোনালাইজড ওয়াশিং মেশিন, রেফ্রিজারেটর, টিভি ও এয়ার কন্ডিশনার নিয়ে আসতে শুরু করেছে। এআইয়ের বিকাশের সাথে সাথে ব্র্যান্ডগুলো আরও বেশি স্মার্ট, কার্যকর ও স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক হোম অ্যাপ্লায়েন্স নিয়ে আসতে সক্ষম হবে।

এ সকল ডিভাইস মানুষের জন্য একটি সামগ্রিক, টেকসই ও আরামদায়ক ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করবে।  

প্রযুক্তি প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে, আর মানুষের জীবন এই যুগান্তকারী পরিবর্তনের ঠিক সন্ধিক্ষণে রয়েছে। ক্রেতাদের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করা ও উৎপাদন প্রক্রিয়া সহজ করা থেকে শুরু করে ডেটা অ্যানালিটিকসের আধুনিকায়ন, সবক্ষেত্রেই কনজ্যুমার ইলেকট্রনিকস ল্যান্ডস্কেপের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে এআই।

সকল খাতের ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধিতে এআই আর নতুন প্রযুক্তি কীভাবে কাজ করে তাই এখন দেখার বিষয়।

 

———

লাইফস্টাইল থেকে আরো পড়ুন

শরীর—মন সুস্থ রাখতে বিশুদ্ধ বাতাস

——ছবি লেখকের সৌজন্যে

Image

আবদ্ধ ঘরে দিনের অনেকখানি সময় কাটানোর পর প্রায়ই আমাদের মনে হয় গুমোট কোথাও বসে যেনো দম নিচ্ছি আমরা! অবাক হওয়ার কিছু নেই, আমাদের বেশিরভাগেরই এমন মনে হয়; কারণ এরকম আবদ্ধ স্থানেই আমরা গড়ে আমাদের দিনের ৯০ শতাংশ সময় কাটাই। এখনকার সময়ে আমাদের ক্লাস, কাজ বা বিনোদন, যাই হোক না কেন সবই ইনডোরে চলে এসেছে।

এরমধ্যে আবার বাংলাদেশে তুলনামূলকভাবে কিছুটা উষ্ণ আবহাওয়া থাকায়, খুব স্বাভাবিকভাবেই আমাদের অনেকে এয়ার কন্ডিশনের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। ফলে, আমাদের ঘরের ভেতর কাটানো সময় যেন আরও বেড়ে গেছে। পাশাপাশি, উদ্বেগজনক বিষয় হিসেবে বায়ু দূষণ তো রয়েছেই।

এ রকম গুমোটভাবের জন্য বিশুদ্ধ বাতাসের অভাবই প্রধানত দায়ী। বিশুদ্ধ বাতাস যে শুধুমাত্র আমাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য জরুরি তাই নয়, পাশাপাশি আমাদের কাজের সক্ষমতা ও কার্যকরভাবে চিন্তা করার ওপরও এর প্রভাব রয়েছে।

বাতাসের মান কীভাবে আমাদের স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব বিস্তার করে চলুন আজ তা জেনে নিই।

জ্ঞানভিত্তিক কার্যক্রম ও স্বাস্থ্য ভালো রাখা

বাতাসের মান অস্বাস্থ্যকর হলে সেখান থেকে যথেষ্ট পরিমাণ অক্সিজেন আমাদের মস্তিষ্কে পৌঁছায় না। ফলে, আমাদের জ্ঞানভিত্তিক কার্যক্রম (কগনিটিভ ফাংশন) ব্যাহত হতে পারে।

অন্যদিকে, বিশুদ্ধ বাতাস অক্সিজেনে ভরপুর থাকে; যা আমাদের মনোযোগ, সতর্কতা ও জ্ঞানভিত্তিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এই সক্ষমতা বৃদ্ধি আমাদের মনকে প্রফুল্ল রাখে যা সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতাকে সমৃদ্ধ করে। পাশাপাশি, সঠিক পরিমাণে অক্সিজেন প্রবাহ আমাদের রক্তচাপ ও হার্টরেট ঠিক রাখতে সহায়তা করে, আমাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য যা অত্যন্ত জরুরি।

প্রাকৃতিকভাবে উদ্দীপনা বাড়ায়

বিশুদ্ধ বাতাসে নিঃশ্বাস নিলে এর সমৃদ্ধ অক্সিজেন আমাদের দেহে সেরোটোনিন নিঃসরণ করতে সাহায্য করে; আর এই হরমোন আমাদের সুখ ও সন্তুষ্টির অনুভূতির জোগান দেয়। ফলে, শরীরে সেরোটোনিনের মাত্রা বাড়তে থাকায় বিষণ্ণতা ও মানসিক চাপ কমে আসে, যা আমাদের সামগ্রিক সুস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

শ্বাসযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে

করোনা মহামারির পর থেকেই বলা চলে আমরা শ্বাসযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখার বিষয়ে আরও বেশি যত্নশীল হয়েছি। তার ওপর দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা হিসেবে তো আমাদের সামনে দূষণ রয়েছেই। বিশেষ করে, ব্যক্তিভেদে নানান রকম অ্যালার্জি ও স্বাস্থ্য পরিস্থিতির সাথে যুক্ত হয় এই দূষণ।

পরিশুদ্ধ বাতাস আমাদের কার্যকরভাবে শ্বাস নিতে সাহায্য করে, আর আমাদের ফুসফুস বিশুদ্ধ অক্সিজেন-সমৃদ্ধ বাতাস গ্রহণ করার সুযোগ পায়। আর ইদানিং আমরা যেহেতু ইনডোর কার্যক্রমে বেশি অভ্যস্ত হয়ে পড়েছি, তাই আমাদের ঘরের ভেতরের বাতাসকে পরিশুদ্ধ করার সুযোগই সবার আগে নিতে হবে।

এক্ষেত্রে, বিভিন্ন রকম দামের মধ্যে স্যামসাংয়ের এয়ার পিউরিফায়ার ঘরের বাতাসকে বিশুদ্ধ করতে সবচেয়ে বেশি কার্যকর হতে পারে।

ভালো ঘুমের জন্য সহায়ক

স্বাস্থ্য ও সুস্থতার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদের স্মৃতি ঠিকঠাক রাখা, বিপাকক্রিয়া স্বাভাবিক রাখা ও ক্লান্তি-অবসাদ কমিয়ে আনতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। ঘরের ভেতর বিশুদ্ধ বাতাস-সমৃদ্ধ পরিবেশ তৈরি করা গেলে রাতে একটি স্বস্তির ঘুম নিশ্চিত করা যায়। আর এতে করে ভালোভাবে শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়া সম্ভব হয়, যা দেহের তাপমাত্রা অনুকূলে রেখে একটি প্রশান্তিদায়ক ঘুম উপহার দেয়।

——ছবি লেখকের সৌজন্যে


 

জীবনের এতো শত ব্যস্ততার মাঝে অক্সিজেন-সমৃদ্ধ ও দূষণমুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশ একটু স্বস্তির নিশ্বাস ফেলা অনেকের জন্যই বিলাসিতা মনে হতে পারে। আর যেহেতু আমরা দিনের পুরোটা সময়ই এই দূষিত নগরী অথবা আবদ্ধ কোনো ঘরে কাটাই, তাই আমাদের শরীরে বিশুদ্ধ বাতাসের চাহিদা রয়েই যায়। মৌলিক এই প্রয়োজনকে কোনোভাবেই উপেক্ষা করা সম্ভব নয়।

আমাদের ভালো থাকার জন্য বিশুদ্ধ প্রাকৃতিক বাতাস গ্রহণ করা উচিত। এক্ষেত্রে, বর্তমান সময় বিবেচনায় সবচেয়ে বাস্তবসম্মত উপায় হতে পারে এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করা। প্রয়োজনীয় এ অ্যাপ্লায়েন্সটি আমাদের ঘর, অফিস বা ক্লাসরুম থেকে বিষাক্ত গ্যাস, জীবাণু বা বাতাসের ক্ষতিকর উপাদান কমিয়ে এনে বিশুদ্ধ বাতাস সরবরাহ নিশ্চিত করে।

দেশের বাজারেই পাওয়া বিভিন্ন ধরনের এয়ার পিউরিফায়ার; অপসারণ করতে পারে ৯৯.৯৭ শতাংশ পর্যন্ত অতিসূক্ষ্ম ধূলিকণা। বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নেয়ার ক্ষেত্রে সচেতন পদক্ষেপ গ্রহণের মধ্য দিয়েই আমরা আমাদের শরীর ও মনকে সুস্থ রাখা বা স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের দিকে একধাপ অগ্রসর হতে পারি। 

Image

বর্তমান সময়ে প্রায় সবার, বিশেষ করে যারা শহর অঞ্চলে বাস করে তাদের প্রতিদিনকার সময়ের বেশিরভাগই চলে যায় দৈনন্দিন নানা কাজে। নিজেদের, পরিবারের কিংবা বন্ধুদের জন্য প্রায়শই কোন সময় অবশিষ্ট থাকে না।

আর এ বিবেচনায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মানুষের প্রতিদিনের লাইফস্টাইল আরও স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক করে তুলতে প্রতিনিয়তই চেষ্টা করে যাচ্ছে উদ্ভাবনী পণ্য নিয়ে আসতে, যাতে মানুষ তাদের পছন্দের বিষয় নিয়ে আরও বেশি সময় কাটাতে পারে এবং কাজের বাইরে তাদের অবশিষ্ট সময়কে সার্থক করে তুলতে পারেন ও পছন্দের মুহূর্তগূলো উপভোগ করতে পারেন।  

আর এ প্রেক্ষিতে, বর্তমানের ডিজিটাল সময়ে, জীবনকে সহজ করে তোলার ক্ষেত্রে বহুমুখী সুবিধার জন্য মাইক্রোওয়েভ ওভেনের মতো কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সের গুরুত্ব বাড়ছে। মাইক্রোওয়েভ ওভেনে যেমন রয়েছে নানাবিধ সুবিধা, তেমনি এ কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সটি সহজে বহনযোগ্য এবং মুহূর্তের মধ্যেই খাবার গরম করে ফেলে; পাশাপাশি মাইক্রোওয়েভ ওভেন পরিষ্কার করাও সহজ।

মাইক্রোওয়েভ ওভেনে খাবার গরম করা ছাড়াও অল্প সময়ে মজাদার খাবার তৈরি করা যায়। ফলে, যাদের কাজের বাইরে রান্নার জন্য সময় বের করা কঠিন, তারা মাইক্রোওয়েভ ওভেন ব্যবহার করার মাধ্যমে জীবনকে করে তুলতে পারেন আরেকটু স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক। ফ্রাইড চিকেনের মতো মজাদার খাবার তৈরির ক্ষেত্রে মাইক্রোওয়েভ ওভেনের হট ব্লাস্ট ফিচার খাবারের বাইরের পাশকে যেমন ক্রিস্পি রাখে, তেমনি খাবারের ভেতরকে রাখে জুসি। 

যারা খাবারের পুষ্টিগুণের ব্যাপারে সচেতন, তাদের জন্য আদর্শ কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স হচ্ছে মাইক্রোওয়েভ ওভেন। বিভিন্ন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবার সেদ্ধ কিংবা ভাজার সময় খাবারের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়; সেক্ষেত্রে, মাইক্রোওভেনে বেশ তাড়াতাড়ি খাবার প্রস্তুত করা যায়, যার ফলে খাবার কম সময়ে রান্না করা যায় এবং খাবারের খাদ্যগুণও অটুট থাকে।

হার্ভাড হেলথ পাবলিশিং -এর তথ্য অনুযায়ী, খাবারে ভিটামিন সি সহ অন্যান্য পুষ্টিগুণ বিদ্যমান রাখার ক্ষেত্রে দারুণ কার্যকরী ভূমিকা রাখে মাইক্রোওয়েভ ওভেন। উদাহরণ হিসেবে আরও বলা যায়, ব্রকলির কথা। সাধারণত ব্রকলি সেদ্ধ করার সময় এর গ্লুকোসিনোলেট (সালফার যুক্ত যৌগ – সবজির এ উপাদান ক্যান্সার প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা রাখে) নষ্ট হয়ে যায়।

এক্ষেত্রেও, মাইক্রোওয়েভ ওভেনে ব্রকলি স্টিম করা হলে এর গ্লুকোসিনোলেট অটুট থাকে। খাবারের পুষ্টিমান অটুট রাখার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখে মাইক্রোওয়েভ ওভেন; পাশাপাশি এর স্বাস্থ্যকর এয়ার ফ্রায়ার ফিচারের কারণে তেলও অনেক কম ব্যবহার করতে হয়। 

বর্তমানে বেশিরভাগ মাইক্রোওয়েভ ওভেনের সাথে প্রি-সেট বিভিন্ন খাবারের রেসিপি দেয়া থাকে যাতে ব্যবহারকারীরা ওভেনের মাল্টি-ফাংশনাল ফিচার ব্যবহার করে সহজেই বিভিন্ন খাবার প্রস্তুত করতে পারেন। রেসিপি, সুবিধাজনক সব ফিচার এবং সহজে ব্যবহারযোগ্য কন্ট্রোল প্যানেলের মাধ্যমে সহজেই কম সময়ে মাইক্রোওয়েভ ওভেনে খাবার তৈরি করা যায়।

প্রি-সেট রেসিপি ছাড়াও, মাইক্রোওয়েভ ওভেনে সহজে ও দ্রুত খাবার তৈরির জন্য অনলাইনে অসংখ্য রেসিপি পাওয়া যায়। তাই, যেকেউ এখন তাদের পছন্দের রেসিপি বের করে মুহূর্তেই মাইক্রোওয়েভ ওভেনে তাদের পছন্দের খাবার তৈরি করতে পারবেন।  

মাইক্রোওয়েভ ওভেনে খাবার প্রস্তুত করার পর, ওভেনের ভেতরে সিরামিক এনামেল থাকার কারণে সহজেই স্বল্পসময়ে ওভেন পরিস্কার করা যাবে। সিরামিক এনামেল কোটেড ইন্টেরিয়র মাইক্রোওয়েভ ওভেনের ভেতরের পাশকে রাখবে স্ক্র্যাচ, ফাটল ও ব্যাকটেরিয়া মুক্ত।

স্যামসাং -এর মতো স্বনামধন্য ও জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ব্যবহারকারীদের সুবিধা বিবেচনায় সম্পূর্ণভাবে এনামেল-কোটেড (ইন্টেরিয়র) মাইক্রোওয়েভ ওভেন নিয়ে এসেছে বাজারে, যার ফলে এ মাইক্রোওয়েভ ওভেন নিশ্চিন্তে ব্যবহার করা যাবে বহুদিন পর্যন্ত। ওভেনের ইন্টেরিয়রে সিরামিক কোট ওভেনকে করে তোলে আরও সুরক্ষিত, স্বাস্থ্যকর ও সহজে ব্যবহারযোগ্য।

স্যামসাং এর কনভেকশন মাইক্রোওয়েভ ওভেনে সহজেই বানানো যাবে পিৎজা ও কুকিসহ বিভিন্ন আইটেম। পাশাপাশি, স্যামসাং ওভেনে রয়েছে স্লিম ফাই ফিচার, যার ফলে তেল ব্যবহার হবে অনেক কম।       

মূলত মাইক্রোওয়েভ ওভেন সহ বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন ধরনের আধুনিক প্রযুক্তির ওভেন পাওয়া যায়, যা আমাদের ডিজিটাল লাইফস্টাইলকে সহজ করে তুলতে ভূমিকা রাখবে। অনন্য এ কিচেন অ্যাপ্লায়েন্সটি খাবারের স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বজায় রাখার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকরী।

তাই, আসছে নতুন বছরে মাইক্রোওয়েভ ওভেনের মাল্টি-ফাংশনাল সুবিধা ব্যবহার করে সুস্বাদু সব খাবার রান্না করে চমকে দিন আপনার প্রিয়জনকে, জীবনকে করে তুলুন আরও উপভোগ্য!

Image

নতুন বছরের প্রথম দিনেই ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ঠেকেছে ৩০০ -তে। বায়ু দূষণের সর্বোচ্চ  মাত্রা নিয়ে এদিন বিশ্বের ১০৯টি শহরের মধ্যে শীর্ষে অবস্থান করেছিল ঢাকা।

এমন দুর্যোগপূর্ণ স্কোর এ শহরের বায়ুর মানে একটি মারাত্মক পতনের ইঙ্গিত। শুধু তাই নয়, গোটা ২০২৩ জুড়ে ঢাকাবাসী মাত্র আট দিন ‘ভালো’ মানের বায়ু উপভোগ করতে পেরেছেন, যা ২০১৬ থেকে ২০২৩ এর মধ্যে ছিল মাত্র ৪৭ দিন। এই আট বছরে বাতাসের মান ‘বিপজ্জনক’ ছিল ৫৫ দিন, ‘অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর’ ছিল ৫৪১ দিন এবং ‘সংবেদনশীল মানুষদের জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ছিল ৭৭৮ দিন।    

ঢাকায় বায়ুমানের এমন বিপজ্জনক অবনতি রুখতে দ্রুত প্রয়োজন পদক্ষেপ গ্রহণ। ঢাকার মোড়ে মোড়ে চলছে বিভিন্ন পর্যায়ের অবকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ; ফলে বাতাসের সাথে বিপুল পরিমাণে ধুলাবালি মিশে যাচ্ছে। ফ্রন্টিয়ার্স ফর সাসটেইনেবল সিটিজ’র সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে যে ২০০৩ থেকে ২০১৯ এর মাঝে ঢাকায় পিএম১০ ( বাতাসে ভেসে বেড়ানো পদার্থ, যেমন ধুলা) ও পিএম২.৫ (অতিক্ষুদ্র বস্তুকণা) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ডের চেয়ে ছয় ও নয় গুন বেশি। গত ১০ জানুয়ারি তে ঢাকার বাতাসে পিএম ২.৫ এর মাত্রা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মানদণ্ডের চেয়ে ৩৩ গুণের বেশি ছিল।

ঢাকার বায়ুমণ্ডলে এমন বিপজ্জনক মিশ্রণ যোগ করার পেছনে প্রধানত দায়ী যানবাহনের কালো ধোঁয়া, ইটভাটা ও শিল্প কারখানা থেকে নিষ্কাশিত দূষিত গ্যাস ও কেমিক্যাল ও অনুপযুক্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা। এর ফল? রাজধানীবাসীর মধ্যে শ্বাসতন্ত্র ও হৃদরোগে আক্রান্তের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা, যেখানে সবচাইতে বেশি ভুগছে শিশু ও প্রবীণসহ স্বাস্থ্যগত ঝুঁকিতে থাকা মানুষেরা – শ্বাস নেয়া হয়ে উঠছে কষ্টকর।

তাই, জনস্বাস্থ্যের কল্যাণ নিশ্চিতে জরুরি পদক্ষেপ নেয়া এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গাছ-গাছালির সমন্বয়ে প্রাকৃতিক বায়ু পরিশোধক হিসেবে কাজ করে এমন ‘গ্রিন স্পেস’ নির্মাণ করার উদ্যোগ নেয়ার পাশাপাশি, এক্ষেত্রে জনগনকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে ঢাকার বায়ুদূষণের অবস্থা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করা সম্ভব।

খোলামেলা বর্জ্য পোড়ানো এবং অতিরিক্ত ল্যান্ডফিল আবর্জনার ক্ষতিকারক পরিণতি হ্রাস করার ক্ষেত্রে, রিসাইকেল প্রোগ্রাম ও ‘বর্জ্য থেকে শক্তি’ প্রকল্পগুলির মত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমগুলি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

তাছাড়া, বৈদ্যুতিক যানবাহন অথবা বায়ু পরিশোধন প্রযুক্তি স্থাপনের মত প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন বায়ুদূষণের বিরুদ্ধে হতে পারে বেশ কার্যকর। পাশাপাশি, ঘরের ভেতরে এয়ার পিউরিফায়ারের ব্যবহার নিরাপদ শ্বাস-প্রশ্বাস নিশ্চিত করে ঢাকাবাসীদের বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে রক্ষা করবে।

শহুরে ব্যস্ত জীবনে আমরা আমাদের বেশিরভাগ সময় অফিস অথবা বাসার ভেতর কাটিয়ে দেই। ফলে এই সময়টুকু দূষণমুক্ত শ্বাস নিতে পারাটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ, যা এমন অত্যাধুনিক এয়ার পিউরিফায়ারের মাধ্যমে সম্ভব।

ইদানিং বাজারে এমন অনেক এয়ার পিউরিফায়ার পাওয়া যাচ্ছে, যা ক্ষতিকারক দূষক অপসারণের পাশাপাশি ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর কণা সনাক্ত করে বাতাস পরিষ্কার রাখে। বিভিন্ন কভারেজ ও স্মার্ট ডিটেকশন ফিচারে সমৃদ্ধ এয়ার পিউরিফায়ার ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে গ্লোবাল ইলেক্ট্রনিকস জায়ান্ট স্যামসাং অন্যতম।  

সম্প্রতিকালের ড্রোন শটস অথবা উচু ভবন থেকে তোলা ছবিগুলো দেখলেই মনে হয় কুয়াশার মত একটি আস্তরণ  এ শহরকে  আবরণে ঢেকে রেখেছে, যাকে বলা হয় ‘স্মগ।’এমনকি, এই ধোঁয়াশার কারণে সামান্য দূরের জিনিসও স্পষ্টভাবে দেখতে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।

ঢাকার বায়ুমানের এমন আশঙ্কাজনক হ্রাস মোকাবিলায় যথেষ্ট মনোযোগসহ একটি সম্মিলিত উদ্যোগ নেয়া অত্যন্ত জরুরি। এই দূষণের কারণগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করে, পদক্ষেপ গ্রহণে সবাইকে দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে। এর পাশাপাশি, বিশ্বের অন্যান্য সফল মডেলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে সৃজনশীল সমাধান বের করতে হবে। ঢাকার বায়ুর গুণমান পুনরুদ্ধার করে রাজধানীর নাগরিকদের জন্য একটি টেকসই ভবিষ্যত নিশ্চিত করার সময় এখনই।

Image

অবশেষে শীতকে বিদায় জানানোর সময় এসে গেছে; ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা তাপমাত্রা নিয়ে মাথার ওপর আবার হাজির হচ্ছে সূর্য! উষ্ণ বসন্ত আর গরমের ছোঁয়ায় বিদায় নিতে শুরু করেছে হিমেল বাতাস।

আর এই সময় এয়ার কন্ডিশনারের মতো হোম অ্যাপ্লায়েন্স ঠিকঠাকভাবে কাজ করছে কি না তা আগেই দেখে নেয়া দরকার। শীতের এই দীর্ঘ বিরতির পর সামনের গরমে এসির ঠিকভাবে কাজ করার জন্য তাই আগেই কিছু যত্নআত্তি নেয়া প্রয়োজন।

আমরা আজ জানব কীভাবে গ্রীষ্মের তাপপ্রবাহ শুরু হওয়ার আগেই এসিকে ঠিকভাবে প্রস্তুত করে নেয়া যায়:

ভেতরে-বাহিরে পরিষ্কার করে নিন

এসির সক্ষমতা সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হলে এটিকে ভেতরে বাহিরে দুই দিকেই সমানভাবে পরিষ্কার করে নেয়া দরকার। এক্ষেত্রে, প্রথমেই এসির ভেতরে পরিষ্কার করে নিতে হবে। সবার আগে অ্যাক্সেস প্যানেল বের করে নিয়ে এরপর ইভ্যাপোরেটর কয়েল পরিষ্কার করতে হবে।

সময়ের সাথে সাথে ইভ্যাপোরেটর কয়েলের সঙ্গে ধুলা-ময়লা লেগে থাকতে পারে। এরপর, পানি ও ময়লা আটকে থাকতে পারে ড্রেইন প্যান ও ড্রেইন পাইপের এমন জায়গাগুলো পরিচ্ছন্ন করে নিতে হবে।  

একবার ভেতরের অংশ পরিচ্ছন্ন করা হয়ে গেলে, অ্যাক্সেস প্যানেল রিইনস্টল করে নিয়ে তারপর বাইরের অংশ পরিস্কারের কাজ শুরু করতে হবে। এক্ষেত্রে, প্রথমেই এসি গ্রিল খুলে নিতে হবে।

এরপর পাখায় লেগে থাকা ধূলিকণার অংশ বা কম্প্রেসর ইউনিটের বাদবাকি জায়গাগুলো হোস পাইপ দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর, কনডেনসার কয়েল পরিচ্ছন্ন করতে হবে ও বাইরে থেকে জমা হওয়া ধুলা-ময়লা পরিষ্কার করে নিতে হবে। এসির বাইরের অংশ পরিস্কারের ক্ষেত্রে পানি ও সাবানের হালকা মিশ্রণ ব্যবহার করা যেতে পারে।

আমাদের মনে রাখতে হবে, এসি পরিষ্কার রাখা হলে তা বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে, ঘরের সবদিক সমানভাবে ঠান্ডা করে ও দীর্ঘসময় টিকে থাকার নিশ্চয়তা দেয়।

ফিল্টার পরিষ্কার বা পরিবর্তন করে নিন

এসির ফিল্টারে ধুলা-ময়লা জমে আটকে যাওয়া শুরু হলেই তা পরিষ্কার বা পরিবর্তন করে নিন। সবচেয়ে ভালো হয় বছরে কমপক্ষে দুইবার ফিল্টার পরিবর্তন করে নিতে পারলে। অপরিচ্ছন্ন ফিল্টার এসির বাতাসকে আটকে দিতে পারে, এমনকি এর কার্যকারিতাও কমিয়ে দিতে পারে। আবার এই ধুলা-ময়লা আপনার ঘরের ভেতরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

আর একারণেই ফিল্টার ঠিকভাবে কাজ করছে কি না, তা নিয়মিত দেখা ও মাঝেমাঝেই এটি কুসুম গরম পানি ও সাবানের মিশ্রণে হালকা কাপড় বা ব্রাশ ভিজিয়ে পরিষ্কার করে নেয়া প্রয়োজন।

থার্মোস্ট্যাট ঠিকভাবে কাজ করছে বা কোনো লিক আছে কি না

এসিতে কোনো প্রকার লিক থাকলে তা খুবই অস্বস্তিদায়ক অনুভূতি নিয়ে আসতে পারে। তাই গরমের শুরুতেই এসি চালুর আগে কোথাও কোনোরকম লিক আছে কি না তা দেখে নিন। থার্মোস্ট্যাটও একদম ঠিকঠাকভাবে চলছে কি না দেখুন। এসির পারফর্ম্যান্স ও বাকি সব খুঁটিনাটি ঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা জানতে এ বিষয়ে দক্ষ কাউকে দেখিয়ে নেয়া প্রয়োজন।

এক্ষেত্রে স্যামসাংয়ের মতো নানান ব্র্যান্ড সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও সার্ভিসিং অপশন সহ বাজারে বিভিন্ন ধরনের এসির মডেল নিয়ে এসেছে। বিশেষ করে দীর্ঘদিন টিকবে এমন এসির ক্ষেত্রে খুব সহজেই বিক্রয়-পরবর্তী সেবা পাওয়া যাবে এমন মডেল বাছাই করা উচিত।

এসি সার্ভিসিংয়ের ক্ষেত্রে কোনো অবহেলা নয়

এই গরমে একমাত্র এসিই পারে আপনার ঘরের ভেতরের পরিবেশকে আরামদায়ক রাখতে। আর তাই গ্রীষ্মকালের শুরুতেই এসি সার্ভিসিং করানোর জন্য বুকিং দিন। নতুন করে এসি লাগানো হোক বা কিছু পরিবর্তন করা হোক, ঠিক করা হোক বা ঠিকঠাক আছে কি না তা দেখে নেয়া হোক; গ্রীষ্মের দাহ শুরু হওয়ার আগেই দক্ষ কাউকে দিয়ে এসিটি দেখিয়ে নিন।

দক্ষ ও পেশাজীবী টেকনিশিয়ান কাউকে দিয়ে একবার এসি দেখিয়ে নিলে তা একদিকে যেমন সর্বোচ্চ পারফর্ম্যান্স দিবে, অন্যদিকে তেমনি টিকবেও অনেক দিন; এতে করে পয়সাও বাঁচবে, আবার একইসাথে যেকোনো সময় এসি ঠিকঠাক করার ঝামেলা থেকেও মুক্ত থাকা যাবে। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা এসির পারফরমেন্স ঠিক আছে কি না যাচাই করার এখনই সঠিক সময়। আর যতো আগে তা দেখবেন, ততোই মঙ্গল!

Image

দেশের অন্যতম সেরা কেমব্রিজ কারিকুলাম অনুসারী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে আয়োজিত হতে যাচ্ছে “গ্লেনরিচ ডিসকভারি ডে”।

সন্তানদের গ্লেনরিচে ভর্তিতে আগ্রহী অভিভাবকগণ আগামী ২৭ এপ্রিল সকাল ১০টায় রাজধানীর সাতারকুলে প্রতিষ্ঠানটির ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিতব্য এই আয়োজনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে স্কুলটির অনন্য পরিবেশ ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা যাচাইয়ের সুযোগ পাবেন।

শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের ভিত্তিস্থাপনে সচেষ্ট এসটিএস গ্রুপভুক্ত স্কুলটিতে ভর্তি ও পড়াশোনা সংক্রান্ত সব ধরণের তথ্য এ সময় প্রদান করা হবে।

গ্লেনরিচ ডিসকভারি ডে’তে অংশগ্রহণকারী অভিভাবকগণ ক্যাম্পাস ঘুরে দেখার পাশাপাশি স্কুলটির মাননীয় প্রিন্সিপ্যাল রমেশ মুদগালের সাথেও সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।

গ্লেনরিচে রয়েছে শিক্ষার সব ধরণের আধুনিক সুবিধা সম্বলিত সুসজ্জিত ক্লাসরুম, সেই সাথে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আরো কৌতুহলী ও দক্ষ করে তুলতে এখানে রয়েছে রোবটিক্স এবং ম্যাথস চর্চার ল্যাবরেটরি।

একটি ‘স্কুল অফ লাইফ’ গঠনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জীবনে প্রতিটি ধাপে আত্মবিশ্বাস আর অনুপ্রেরণা জোগানে কাজ করছে গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। ডিসকভারি ডে’তে অংশ নিতে আগ্রহী অভিভাবকরা এই অনন্য প্রচেষ্টা ও এর সহায়ক কার্যক্রম সমূহের ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

এই লিঙ্কের মাধ্যমে গ্লেনরিচ ডিসকভারি ডে’তে অংশগ্রহণের জন্য নিবন্ধন করা যাবে।

“শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জন ও সঠিকভাবে গড়ে ওঠার জন্য আমরা একটি উষ্ণ ও মমতাপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করেছি, যেখানে তাদের মানুষ হিসেবে সার্বিকভাবে বিকশিত হওয়ার প্রয়োজনীয়তাকে প্রাধান্য দেয়া হয়”, বলেন প্রিন্সিপ্যাল রমেশ মুদগাল।

“পাঠ্যবইয়ের শিক্ষার বাইরেও আমরা তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সকল শিক্ষা দানে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ রয়েছি। আশা করছি সচেতন অভিভাবকগণ যথাসময়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করে আমাদের সাথে গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল ডে’র আয়োজনে মিলিত হবেন”।

শিক্ষার অভিজ্ঞতাকে আরো বিস্তৃত আর কার্যকরী করার প্রতিশ্রুতিতে গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ ঢাকা, স্টেমরোবো, ম্যাথ বাডি, এবং অ্যাসোসিয়েটেড বোর্ড অফ রয়্যাল স্কুলস অফ মিউজিকের মত অংশীদারদের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীদের জন্য তিন বছরের ফরাসি ভাষা শিক্ষা কোর্স, রোবোটিক্স কোর্স, ম্যাথ ল্যাব, এবং সঙ্গীত শিক্ষার সুযোগ সহ নানা সুবিধা চালু করেছে। এই স্কুল অফ লাইফ প্রসঙ্গে আরো জানতে প্রতিষ্ঠানটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।